,

এই আজব স্কুলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ছুটি!

news-image

অনলাইন ডেস্ক : রোজ আসার দরকার নেই। পড়ুয়ারা কে কবে স্কুলে আসবে, তা রুটিন তৈরি করে ঠিক করে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষই। রাজ্যে এমনই এক আজব স্কুলের খোঁজ পাওয়া গেল জলপাইগুড়িতে।
কিন্তু এমন অদ্ভুত নির্দেশ জারি কেন? কারণ রোজ সব পড়ুয়াকে পড়ানোর মতো পর্যাপ্ত শিক্ষিকাই নেই স্কুলে। বেসরকারি কোনও স্কুল নয়, সরকারি প্রাথমিক স্কুলেই এমন কাণ্ড ঘটেছে। জলপাইগুড়ি রাষ্ট্রীয় বালিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখা থেকেই ছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্কুলের সমস্যা নিয়ে মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষিকা সাগরিকা দত্ত অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন তিনি।

ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রি-প্রাইমারি, প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস হবে শুক্র এবং শনিবারে। সোম থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হবে তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। ফলে কারও স্কুলে আসতে হবে সপ্তাহে দু’দিন, কারও আবার চারদিন। প্রি-প্রাইমারি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের সপ্তাহের বাকি পাঁচদিন ছুটি। আর বাকিদের ছুটি সপ্তাহে তিন দিন।

জলপাইগুড়ি রাষ্ট্রীয় উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগে মোট ছাত্রী সংখ্যা ৩৪৯ জন। কিন্তু বর্তমানে ১৩জন শিক্ষিকা থাকার কথা থাকলেও স্কুলে মাত্র ৪জন শিক্ষিকা রয়েছেন। গত কয়েক বছরে প্রাথমিক বিভাগে ৯জন শিক্ষিকা অবসর নিয়েছেন। বাকি ৪জনের মধ্যে একজন শিক্ষা দফতরের কমিশনারের লিখিত নির্দেশ নিয়ে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক বিভাগে উন্নীত হয়ে শিক্ষকতা করছেন। অন্য তিনজনের মধ্যে দ্বিতীয় জন দীর্ঘ ছুটিতে রয়েছেন। ফলে প্রাথমিক বিভাগ চলছে মাত্র ২জন শিক্ষিকাকে দিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই বিপুল সংখ্যক ছাত্রীদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন দুই শিক্ষিকা। ছাত্রীদের পঠনপাঠন প্রায় লাটে উঠেছে। এই অবস্থায় অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে দ্বারস্থ হন মঙ্গলবার।
ছাত্রী প্রচুর, জলপাইগুড়ির স্কুলে শিক্ষিকার অভাব।

কিন্তু প্রাথমিক বিভাগে শিক্ষিকার অপ্রতুলতার জন্য গত কয়েক মাস ধরে ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছেনা।ছাত্রীদের পঠন পাঠন কার্যত লাটে উঠেছে। এ দিন তাঁরা প্রধান শিক্ষিকা সাগরিকা দত্তের দ্বারস্থ হন। যে দু’জন শিক্ষিকা শিক্ষকতা করছেন, তাঁরাও জানিয়ে দেন, দু’জন মিলে এত ছাত্রী সামলানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

ছাত্রীদের অতিরিক্ত ছুটি দেওয়ার বিষয়টি জেলাশাসককেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষিকা। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক রচনা ভগত জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যার বিষয়টি তিনি প্রধান শিক্ষিকার কাছ থেকে শুনেছেন। রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরে বিষয়টি জানিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন জেলাশাসক। যতদিন সমস্যার সমাধান হচ্ছে না, ততদিন এই স্কুলের পড়ুয়াদের ছুটিই ছুটি!

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে