বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে যাচ্ছে

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে জেরুজালেমে স্থানান্তরের ব্যাপারে ইসরায়েলে থাকা মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে কথা-বার্তা শুরু করেছে হোয়াইট হাউজ।

ইসরায়েলী একজন মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের যে নির্বাচনী প্রতিজ্ঞা ছিল তা পূরণের প্রাথমিক ধাপ শুরু হলো।

জেরুজালেমকে ইসরায়েলীরা নিজেদের জাতীয় রাজধানী দাবি করলেও, এই শহরকে ফিলিস্তিনিরাও নিজেদের বলে দাবি করে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত থাকা নীতি ভেঙে, তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে জেরুজালেমে নেয়ার জন্য প্রাথমিক আলাপচারিতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সদ্য শপথ নেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র। এমনকি তার নির্বাচনী প্রচারণার সময়েও সেই ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট।

অনেকের মনে হতে পারে যে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিবে হলো, না কি জেরুজালেমে এটা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কিন্তু বিবদমান পক্ষগুলোর কাছে এটা মোটেও তুচ্ছ ব্যাপার নয়।

এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পূর্ব জেরুজালেমের মর্যাদার প্রশ্ন – যা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের সবচেয়ে স্পর্শকাতর এবং জটিল এক ব্যাপার।

তিনটি ধর্মের কাছে পবিত্র এই প্রাচীন নগরী জেরুজালেম। কিন্তু এর কয়েক হাজার বছরের ইতিহাসে শহরটি অনেকবার অবরোধ, ধ্বংসযজ্ঞ, দখল-পুনর্দখলের শিকার হয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা চায় তাদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম, কিন্তু ইসরায়েলের দাবি, পূর্ব ও পশ্চিম জেরুজালেম মিলিয়ে পুরো শহরটিই তাদের রাজধানী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের অনেক সদস্য রাষ্ট্রই জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকার করে না। অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ এবং বসতি নির্মাণও আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত নয়।

মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করবেন বলেও এক ধরনের অঙ্গিকার করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রবিবারে, হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র শন স্পাইসার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনার একেবোরেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন।

ওবামা প্রশাসনের শেষ দিকে অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে একটি নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয়। যেই প্রস্তাবে ভেটো দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘে প্রস্তাব পাশের পর ট্রাম্প ইসরায়েলকে সমর্থন করে টুইট করে বলেছিলেন, ইসরায়েলকে ‘ অবজ্ঞা ও অসম্মান’ এর সাথে আচরণ করাটা তিনি ভালোভাবে নেবেন না।

তখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করা পর্যন্ত ইসরায়েলকে ‘শক্ত’ থাকার জন্যও আহ্বান করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ জাতীয় আরও খবর

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ফের শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সরকারের করণীয় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা

গ্রামে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদার