,

রায়ের পর ‘বিচলিত’ নূর হোসেন-তারেক সাঈদ

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারয়ণগঞ্জের সাত খুনের দুই মামলায় আজ সোমবার সকালে আদালতে হাজির করার সময় প্রধান আসামি নূর হোসেন ও তারেক সাঈদ বেশ হাসিখুশি ছিলেন।

এজলাসেও এ দুই আসামিকে বেশ নির্ভার দেখা যায়। তবে সকাল সোয়া ১০টার দিকে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর নূর হোসেন ও তারেক সাঈদকে বেশ বিচলিত দেখা যায়। এ ছাড়া এজলাসের সামনে লোহার খাঁচায় অবস্থান করা ২৩ আসামির মধ্যে তিনজন রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকেই আদালতে প্রবেশ করেন বিচারক। তবে তিনি এজলাসে আসেন সকাল ১০টার দিকে। এর পরপরই রায় পড়া শুরু হয়। মাত্র ১৫ মিনিটেই রায় পড়া শেষ করেন বিচারক।

রায়ে মামলার মোট ৩৫ আসামির মধ্যে নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ মোট ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া নয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড পান বাকি নয় আসামি।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টা থেকে পৌনে ১০টার মধ্যে আদালতে নেওয়া হয় মামলার ২৩ আসামিকে। এজলাসের সামনে একটি লোহার খাঁচায় রাখা হয় ২০ আসামিকে। শুধু সামরিক বাহিনীর বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মকর্তাকে এজলাসের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।

রায় পড়ার পুরো সময় নূর হোসেন ও তারেক সাঈদকে হাসিখুশি দেখা যায়। তবে রায় ঘোষণার পরপরই কিছুটা বিচলিত দেখা যায় তাদের।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে