,

তোলা হতে পারে আম্মার লাশ

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :‘আম্মা’ হিসেবে পরিচিত তামিলনাড়ুর প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। জয়ললিতার মৃত্যু কি স্বাভাবিক? নাকি এর পেছনে গভীর চক্রান্ত রয়েছে? বিক্ষিপ্তভাবে হলেও প্রশ্নগুলো আগেই উঠতে শুরু করেছিল। সেই বিতর্কই এবার জোরালো করলো আদালত।

 
জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে তদন্ত কমিশন গড়ার দাবিতে মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন এআইডিএমকে কর্মী পিএ জোসেফ। তার মৃত্যু এবং মৃত্যুর আগে তার চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসল সত্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আম্মার ওই অনুগামী।

সেই মামলারই শুনানিতে বৃহস্পতিবার জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও, প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর কফিনবন্দি দেহ কেন তুলে আনা হবে না- এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্র এবং রাজ্যকে নোটিস পাঠিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এস বৈদ্যনাথন বলেন, ‘জয়ললিতার মৃত্যুর পরও এখনও অনেক রহস্য রয়ে গেছে। তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলছে সংবাদমাধ্যম। আমরাও সংবাদপত্রে পড়েছি যে মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠছেন। তিনি খাচ্ছেন, সই করছেন এমনকি বৈঠকও করছেন। হঠাৎ করেই তিনি মারা গেলেন। কোনো রেভিনিউ ডিভিশন অফিসার তার দেহ দেখেননি। কোনো মেডিক্যাল রেকর্ডও রাখা হয়নি। অন্তত তার মৃত্যুর পরও কেন কোনো প্রমাণ দেয়া হল না? সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও, প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর কফিনবন্দি দেহ কেন তুলে আনা হবে না?’

অনেকক্ষেত্রে তার নিজেরও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি। একইসঙ্গে তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর জয়ললিতা স্বাভাবিকভাবেই খাবার খাচ্ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর এই ধোঁয়াশাগুলো প্রকাশ্যে আসা উচিত বলেও জানান বিচারপতি।

এছাড়া জয়ললিতার মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত বা বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপীল করেন বহিস্কৃত সাংসদ শশীকলা পুষ্পা। জয়ললিতার মৃত্যু ও তার চিকিৎসা পদ্ধতিতে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আম্মার অসুস্থ থাকার সময় বিশেষ কিছু মানুষ ছাড়া কাউকেই তার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হত না। আম্মার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া থেকে মৃত্যু- সমস্ত বিষয়টিতেই খুব সতর্কতার সাথে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে আম্মার মৃত্যু নিয়ে সন্দেহের মধ্যেই এআইএডিএমকে’র সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী শশীকলা নটরাজন। আগামী ২ জানুয়ারি থেকে দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। চেন্নাইয়ের পোয়েজ গার্ডেনের বাংলো থেকে জেল জীবন- সর্বত্রই আম্মার ছায়াসঙ্গী ছিলেন শশীকলা। আম্মার শেষকৃত্যেও সারাক্ষণ দেহ আগলে ছিলেন তিনি। সূত্র: এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে