,

ওমানে ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

46202_omanআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ওমানে এখন অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী কাজ করছেন। আগে এ অবস্থানে ছিল ভারত। কিন্তু সব দেশকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারি এক পরিসংখ্যানে এ কথা বলা হয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্ট্যাটিসটিকস অ্যান্ড ইনফরমেশন (এনসিএসআই)-এর ওই পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এ বছর নভেম্বরের শেষ নাগাদ ওমানে অবস্থানকারী বাংলাদেশীর সংখ্যা ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৯। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতীয়দের সংখ্যা ৬ লাখ ৯১ হাজার ৭৭৫। এক্ষেত্রে ওমানে পাকিস্তানির সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮৫। নভেম্বরে সেখানে বাংলাদেশীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ হাজার ৪২৪। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ১ হাজার ২৮৭। ভারতের বেলায় এ সংখ্যা ১ হাজার ৬০৭। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ওমান। এতে বলা হয়েছে, কয়েক দশক ধরে ওমানে অভিবাসী শ্রমিকের মধ্যে সংখ্যার দিক থেকে ভারত ছিল শীর্ষে। কিন্তু পুলিশি বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বহু সংখ্যক বাংলাদেশীকে ওমানে প্রবেশ করতে দেয়া হয়েছে। ফলে নভেম্বর নাগাদ তাদের সংখ্যা ভারতীয়দের অতিক্রম করেছে। ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশী শ্রমিকদের কাছে ওমানের বড় বড় সব প্রকল্পে কাজ করা বেশি জনপ্রিয়। তবে ভারতীয়দের এক মুখপাত্র বলেছেন, ভারতে বেতন ও কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নত হওয়ায় বেশির ভাগ ভারতীয় শ্রমিক এখন দেশে অবস্থান করাকেই বেছে নিয়েছেন। এনসিএসআইয়ের হিসাব মতে, গত বছর ওমানে অবস্থানরত বাংলাদেশীর সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৯০ হাজার ১৭০। ভারতীয়ের সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮২। তিন বছর আগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে ওমানে বাংলাদেশী ছিলেন ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬১ জন। ভারতীয় ছিলেন ৬ লাখ ৩৪৯ জন। কিন্তু এ তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৮৮ জন। ভারতীয়ের সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার ৪২৬ জন। এ বিষয়ে টাইমস অব ওমানের সঙ্গে কথা বলেন মাস্কটে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম বিভাগের কাউন্সেলর জাহেদ আহমেদ বলেছেন, যেসব বাংলাদেশী ওমানে আসছেন তার বেশির ভাগই ‘ব্লু কলার শ্রমিক’। তাদেরকে পেয়ে ওমানের স্পন্সররাও খুব খুশি। এতে আরও শ্রমিক নিয়োগে এটা সহায়ক হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যেসব শ্রমিক ওমানে যাচ্ছেন তাদের বেশির ভাগেরই মাসিক বেতন ৯০ থেকে ১০০ ওমানি রিয়াল। এত বেতনে অন্য দেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ করা খুবই কঠিন। এই কারণে বেশি করে বাংলাদেশী ওমানে যাচ্ছেন। ওদিকে ওসিসিআই সদস্য আহমেদ আল হুতি বলেছেন, ছোটখাটো কাজের জন্য ভারতীয় শ্রমিক পাওয়া খুব কঠিন। এ জন্য ভারতীয় শ্রমিকের সংখ্যা অতিক্রম করেছেন বাংলাদেশী শ্রমিকরা। তিনি বলেন, ভারতীয়রা এখন মধ্যম-পর্যায়ের কাজ খুঁজছেন। এতে যে শূন্যস্থান সৃষ্টি হচ্ছে তা পূরণ করছেন বাংলাদেশী শ্রমিকরা। তারা কৃষিক্ষেত্রে কাজ করছেন। ক্ষুদ্র শিল্পে কাজ করছেন। তাই বেশির ভাগ কোম্পানি নিয়োগ করছে বাংলাদেশী শ্রমিক। বাংলাদেশ সোশাল ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভুইয়া বলেন, নির্মাণ খাত, কৃষি, গৃহকর্মী, রেস্তোরাঁর কর্মী হিসেবে ওমানে যাচ্ছেন বেশির ভাগ বাংলাদেশী। ওমানে এখন বিভিন্ন প্রকল্পে অধিক সংখ্যক জনশক্তির প্রয়োজন। ইন্ডিয়ান সোশাল ক্লাবের চেয়ারম্যান ড. সতীশ নামবিয়ার বলেছেন, ভারতে অর্থনৈতিক অবস্থা ও কাজের পরিবেশ উন্নত হওয়ায় বিপুল সংখ্য শ্রমিক এখন দেশেই কাজ করছেন। ওমানে অন্য যেসব দেশের নাগরিকরা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন সেসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিশর, নেপাল ও শ্রীলংকা।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে