,

বড়দিন উপলক্ষে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

image-54675-1482516871নিউজ ডেস্ক : খ্রিস্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ আগামীকাল। এ উপলক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় প্রতিটি গির্জা ঘিরে থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে দেশের ৫০০ গির্জায় ইউনিফর্মধারী পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কাল সকাল থেকে নেওয়া হবে আরও বাড়তি ব্যবস্থা।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে গোপন রিপোর্ট দাখিল করে বলেছে, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে জঙ্গিগোষ্ঠী বড়দিনের উৎসবস্থলে হামলা চালাতে পারে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের শক্তির জানান দেওয়ার অপচেষ্টা চালাতে পারে। ওই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ঢাকার পুলিশ কমিশনার সর্বশেষ অপরাধ সম্মেলনে ‘বড়দিনের’ নিরাপত্তায় গির্জাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে ডিসি ও ওসিদের নির্দেশ দেন। তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সভাও করেছেন। পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বলা হয়েছে, প্রতিটি গির্জার ভেতরে-বাইরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। ভেতরে-বাইরে কোজড সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রতিটি গির্জায় নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী মোতায়েন করতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম বিভাগের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আমরা বড়দিনের উৎসব ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ইউনিফর্মে এবং সাদা পোশাকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবত থাকবে।

সূত্র জানায়, আজ সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য গির্জা ঘিরে পুলিশ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। খ্রিস্টান সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কেউ গির্জায় ঢুকতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে কাউকে ঢুকতে দেবে না পুলিশ। প্রতিটি গির্জায় স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ আর্চওয়ে। গির্জায় আগত সবাইকে এই আর্চওয়ে দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে।

আজ থেকে সব গির্জা রঙিন বাতি আর ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে। সুন্দরভাবে বসানো হবে ক্রিসমাস ট্রি। রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেলগুলোও বড়দিন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজবে।

প্রসঙ্গত তামিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্যরা গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশি নাগরিক, পীর, ফকির, খ্রিস্টান যাজক, পুরোহিতদের ওপর ধারাবাহিক হামলা শুরু করে। রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা করে। এর মধ্যে ১৭ জনই ছিলেন বিদেশি। এ ঘটনার কয়েক দিন পর নব্য জেএমবির সদস্যরা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় হামলা চালায়। ওই দুই ঘটনার পর জঙ্গিদের দমনে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে র‌্যাব-পুলিশ। তাদের অভিযানে তামিম চৌধুরীসহ এই জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন জঙ্গি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা