মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কী দুর্দান্ত লড়াই পাকিস্তানের ব্যাটে!

256474স্পোর্টস ডেস্ক : দিনের খেলা শেষ হতে তখন ঢের ওভার বাকি। হঠাৎ করেই ঘোষণা এল—গ্যাবায় আগামীকাল খেলা দেখা যাবে বিনা পয়সায়। দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচের পুরো এক দিন ফ্রিতে খেলা দেখার সুযোগ। ভাবা যায়! দিনের খেলা শেষ হওয়ার তিন বল আগে ওয়াহাব রিয়াজ আউট না হলে, পঞ্চম দিনটা হয়তো হয়ে যেত সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দিনগুলো একটি। সেটাও দর্শকেরা ফ্রিতেই উপভোগ করতে পারতেন।

এখনো পঞ্চম দিনের খেলা মুফতে দেখার সুযোগ। কিন্তু রিয়াজের আউট হিসাব বদলে দিয়েছে। আর তিনটা বল কোনোমতে পার করে দিতে পারলেন না রিয়াজ! শেষ দিনে জেতার জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ১০৮ রান। হাতে ২ উইকেট। ঠিক ১০০ রানে অপরাজিত আসাদ শফিক কি পারবেন বোলারদের নিয়ে লড়াইটা চালিয়ে যেতে? মোহাম্মদ আমির ও রিয়াজকে নিয়ে আসাদ যোগ করেছেন ১৫৮ রান। ইয়াসির শাহ ও রাহাত আলী কি পারবেন ‘আমির’ ও ‘রিয়াজ’ হতে?

না হলেও এই টেস্টে পাকিস্তানের উজ্জীবিত লড়াইয়ের জন্যই বাহবা দিতে হবে। প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটি দ্বিতীয় ইনিংসে এভাবে ঘুরে দাঁড়াবে, সে-ই বা কে ভেবেছিল! চতুর্থ ইনিংসে ৪৯০ রানের অসম্ভব লক্ষ্যটাকেই একসময় ‘প্রায় সম্ভব’ বানিয়ে ফেলেছিল তারা। বৃষ্টির কারণে আজ আধঘণ্টার মতো খেলা হয়নি। তাতেও পাকিস্তানের কৃতিত্ব এতটুকু ম্লান হয় না। পাকিস্তান যে এরই মধ্যে গ্যাবায় চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড করে ফেলেছে ৩৮২ রান তুলে। হাতে ২ উইকেটটাই পোড়াচ্ছে তাদের!
১৪৭ বলে ৬৫ রান করে যাওয়া ইউনুস খানের ব্যাটে শুরু হয়েছিল প্রতিরোধ, সেটাই পাল্টা লড়াইয়ে নিয়ে গেলেন আসাদ; ক্যারিয়ারের দশম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করে। অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসেও ২২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তান। আসাদ তখন ২৩ রানে অপরাজিত। আর সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন চার বোলারকে। একপাশে আসাদ থাকলেও চার বোলার আর কতক্ষণ সঙ্গ দেবে। ফ্রি টিকিটের ঘোষণা এল। আর এরপর থেকে পাকিস্তানও যেন বদলে দিতে শুরু করল ম্যাচের রং।

প্রথমে আমিরকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৯২ রান যোগ করলেন আসাদ। তাতে বেশির অবদান মোহাম্মদ আমিরেরই। ৪৮ রান জোগান দিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি থেকে ২ রান দূরে থাকতে আমির ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি। এরপর রিয়াজ-আসাদ জুটিতে আরও ৬৬ রান। দিনের শেষ ওভারে রিয়াজ বার্ডের শিকার হলেন। ইয়াসির শাহ নেমেই প্রথম বলে চার মেরে নিজের লক্ষ্যটা বুঝিয়ে দিয়েছেন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আসাদ খেলতে পারলে, কে জানে, ১০৮ রানের দূরত্ব কমিয়ে ফেলতে পারে পাকিস্তান।

সারা দিনে ৫৫০ মিনিট খেলে, ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১২ রান তোলা পাকিস্তান অবশেষে বুঝিয়ে দিল, প্রথম ইনিংসের পাকিস্তান তারা আসলে নয়। ক্ষীণ হলেও টেস্ট জয়ের আশা এখনো আছে। সেই আশার তীরে ভিড়তে পারলে পাকিস্তান পেয়ে যাবে টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে স্মরণীয় জয়!

এ জাতীয় আরও খবর

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত

এলপিজি ও ডিজেল ভর্তুকিতে নতুন কার্ড চালুর উদ্যোগ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিইসির বৈঠক ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে

স্বর্ণের দাম আবার কমল ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশীয় চিকিৎসা যন্ত্র উৎপাদনে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আহত জুলাই যোদ্ধার নবজাতকের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের