,

দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের বিচারে সউদি আরবে নতুন আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :সউদি আরবের কোনো মন্ত্রী যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিংবা প্রভাব খাটিয়ে নগদ অর্থ গ্রহণ কিংবা বস্তুগতভাবে লাভবান হয়েছেন বলে বিচারে প্রমাণিত হয়, তাহলে তার তিন বছর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।মন্ত্রীদের বিচার বিষয়ক এক নতুন উপবিধিতে এ কথা বলা হয়েছে।

image-11081

যদি কোনো মন্ত্রী কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, যার ফলে রাষ্ট্র আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অথবা তিনি যদি কোনো ব্যক্তির বৈধ অধিকার অগ্রাহ্য করেন অথবা তার কোনো কাজের ফলে যদি পণ্য, রিয়্যাল এস্টেট, কারেন্সি কিংবা বন্ডের মূল্য প্রভাবিত হয়, সেক্ষেত্রেও তিনি একই সাজা পাবেন।কোনো মন্ত্রী নিজের কিংবা অন্য কারো জন্য কোনোরকম সুযোগ-সুবিধা নিলে আইন অনুসারে তাকেও সাজা পেতে হবে।উপবিধির ৬ নাম্বার ধারায় বলা হয়েছে, একজন সাজাপ্রাপ্ত মন্ত্রী যেমন তার পদ হারাবেন তেমনি তাকে আর কোনো সরকারি পদ অথবা কোনো কর্তৃপক্ষ, কর্পোরেশন ও কম্পানির সদস্যপদ কিংবা অন্য কোনো চাকরি নিতে দেয়া হবে না।
কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির সদস্য হবেন দু’জন মন্ত্রী অথবা সমপর্যায়ের ব্যক্তি এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সমমর্যাদার এক ব্যক্তি। গঠিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যেই কমিটিকে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মন্ত্রীসভায় এই রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হবে। মন্ত্রীসভা যদি অভিযোগের সত্যতা সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়, তাহলে ওই মন্ত্রীর বিচারের জন্য পাঁচ সদস্যের জুডিসিয়াল কমিশন গঠন করা হবে। এই কমিশনে থাকবেন তিনজন মন্ত্রী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সমমর্যাদার দু’জন সিনিয়র বিচারপতি। কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন সবচেয়ে সিনিয়র মন্ত্রী। অভিযুক্ত মন্ত্রীর কোনো আত্মীয় এই কমিশনে থাকতে পারবেন না।

দোষী সাব্যস্ত হলে যে কোনো মন্ত্রীকে জেল-জরিমানা করার অধিকার এই কমিশনের থাকবে। অপরদিকে সাবধানতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই মন্ত্রীকে প্রথম শুনানী পর্যন্ত কারাগারে পাঠাতে পারবে। প্রয়োজনে তার কারাবাসের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষমতা জুড়িসিয়াল কমিশনের থাকবে।

মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রীসভা তাকে আর কোনো সরকারি পদ গ্রহণ করতে দেবে না। রায় ঘোষণার পর তার বেতন বন্ধ হয়ে যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে