,

গ্যাসের দাম বাড়ছে: বাড়বে জীবনযাত্রায় ব্যয়

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসছে খুব শীঘ্রই। এতে নগরবাসী আশঙ্কা করছেন, এই দাম বৃদ্ধি শুধু গ্যাসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বাড়িভাড়াসহ জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়াবে। অথচ ভোক্তা, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজসহ সব পক্ষের বিরোধিতা সত্ত্বেও গ্যাসের দাম বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কত শতাংশ দাম বাড়বে, সব হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করেছে কমিশন। এখন শুধু দিনক্ষণ দেখে ঘোষণা দেয়ার পালা।

image-10736

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় দ্রুত গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিইআরসিকে সরকারের মনোভাব জানিয়েছে। পেট্রোবাংলা ও এর অধীন সংস্থাগুলো গড়ে ৬৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও বিইআরসি গণশুনানির মতামত অনুসারে হিসাব-নিকাশ করেছে। কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ওপর গত ৭ থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্রমতে, গ্যাসের দাম ৮ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। কারণ শুনানিতে সংস্থাগুলো ৬৫ ভাগ দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারেনি। জানা গেছে, আবাসিকে গ্যাসের দাম চুলাপ্রতি বর্তমান দামের চেয়ে ২০০ টাকা বাড়তে পারে। সিএনজির দাম একটু বেশিই বাড়বে। তবে গণপরিবহনে সিএনজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়নোর বিষয়ে একটু ছাড় দেয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, পেট্রোবাংলা ও এর অধীন কোম্পানিগুলো প্রায় প্রতিটিই লাভজনক। তাদের তহবিলে ২৫ হাজার কোটি টাকা অলস পড়ে আছে, তাই গ্যাসের দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। এতে অর্থনীতি ও জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

জানা গেছে, দাম বৃদ্ধির জন্য গ্যাস কোম্পানিগুলোর মূল যুক্তি হলো গ্যাসের দামের ওপর থেকে সরকারের শুল্ক ও কর সংগ্রহের সিদ্ধান্ত ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি। তাদের মতে, গ্যাসের দাম থেকে বর্তমানে সরকার প্রায় ৮১ শতাংশ অর্থ শুল্ক ও কর হিসেবে আদায় করে। এই কর ও শুল্ক হার অর্ধেক কমানো হলে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।

বর্তমানে গ্রাহকের কাছ থেকে বছরে গ্যাস বিল আদায় হয় ১৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ ও অগ্রিম আয়কর ৩ শতাংশ। গ্যাস বিক্রি থেকে কোম্পানিগুলোর মুনাফার ওপর দিতে হয় ২০ শতাংশ ডিভিডেন্ড, যা মোট রাজস্বের ২ শতাংশ।

গ্যাসের ওপর যে সম্পদমূল্য ধরা হয়েছে, তা থেকে ১৬ শতাংশ এবং গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) থেকে প্রায় ৫ শতাংশ শুল্ক কাটা হয়। এর মধ্যে গত এপ্রিল থেকে শুল্ক ও কর বাবদ ৫৫ শতাংশ অর্থ রাজস্ব বোর্ডকে দিতে হচ্ছে, যা বিগত বছরগুলোতে (১৯৯৮ সাল থেকে) মওকুফ করা হতো। এর পরই কোম্পানিগুলো গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। গত বছরের (২০১৫) ১ আগস্ট সর্বশেষ গ্যাসের দাম বাড়ায় বিইআরসি।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

সতর্কতার পরও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়া চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট