,

শিগগির সিলেট বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাইশ বছর পর আলোর মুখ দেখছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সিলেট কেন্দ্র। জানা গেছে, নতুন বছরের প্রথম দিকেই সিলেটে শুরু হবে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ স্টেশন নির্মাণ কাজ। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার সিলেটে পূর্ণাঙ্গ স্টেশন চালুর উদ্যোগ নিলেও এতদিন কেন আটকা ছিল, তা অজানা সংশ্লিষ্টদের।

image-10551

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত সিলেটে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। অর্থমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতির অবশেষে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

২০১৭ সালের মার্চ-এপ্রিলে পূর্ণাঙ্গ স্টেশনটি চালুর কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিভি সিলেট অফিসের কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন। তিনি জানান, নগরীর টিলাগড়ে বাংলাদেশ বেতারের প্রেরণ কেন্দ্রের জায়গায় পাঁচ একর জমিতে টেলিভিশন ভবন নির্মাণ এবং আরো পাঁচ একর জায়গা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হবে। সব মিলিয়ে স্টেশন নির্মাণ কাজে ১’শ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হতে পারে। প্রকল্প স্থল অনেকটা নিচু জায়গা হওয়ায় প্রচুর পরিমাণ মাটি ভরাট করে স্টেশনের জন্য প্রায় ৮ ফুট উঁচু করতে হবে।

সেই পরিমাণ মাটি সিলেটে আছে কি না, কোথা থেকে কীভাবে আনা হবে, যান্ত্রিক পদ্ধতি নাকি শ্রমিক ব্যবহার করে মাটি ভরাট করা হবে এই সব কিছু চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শুধু মাটি ভরাট কাজেই প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলেও জানান মো. মকবুল হোসেন।

পূর্ণাঙ্গ স্টেশন চালুর কাজ শুরু করতে গত ২৮ নভেম্বর চীনের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চার সদস্যের প্রতিনিধিদল সিলেটে আসে এবং আগামী মার্চ অথবা এপ্রিল মাসে কাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান এই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

জানা গেছে, চায়না বায়ার্স ক্রেডিটে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ স্টেশন নির্মাণে দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এতে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সিলেট ছাড়াও দেশের আরো চার বিভাগীয় শহর রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও খুলনায় টিভি স্টেশনগুলো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ টিভি স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘অ্যারোস্পেস লং মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোম্পানি লিমিটেড (এএলআইটি)’ এবং ‘রেডিও ফিল্ম অ্যান্ড টিভি ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিআরএফটি)’।

প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ, ভৌত কাজ ও সেবা ক্রয়ের একক উৎস হিসেবে টার্ন-কি পদ্ধতিতে এ প্রতিষ্ঠান দুটি কাজ করবে। এতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৯৬৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। ১৯৯১-৯৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার সিলেট ও চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। চট্টগ্রামে অনেক আগেই তা বাস্তবায়িত হলেও সিলেটের প্রকল্পটি এতদিন ছিল হিমাগারে। ১৯৯৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান টিলাগড়ে বাংলাদেশ বেতারের প্রেরণ কেন্দ্রের জায়গায় পূর্ণাঙ্গ টিভি স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

জানা গেছে, সে সময়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পে ছিল ১৫০ বর্গমিটার আয়তনের একটি স্টুডিও নির্মাণ, ১২০ মিটার উঁচু টাওয়ার, তিনটি পৃথক ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম, বহিঃদৃশ্য ধারণের জন্য ৩টি সম্পাদনা স্টুডিও, মাইক্রোওয়েভ যোগযোগ কেন্দ্র, যন্ত্রপাতি, ডরমিটরি, বিদ্যুৎ সাব স্টেশন এবং পুলিশ ব্যরাক নির্মাণ। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত সিলেটে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। অর্থমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতির অবশেষে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

সতর্কতার পরও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়া চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট