,

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ২য় দিনের আলোচনা সভায় অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত —- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক বিজয় অর্জনের জন্য লড়াই শুরু করেছেন

news-image

pic-rana-dashguptaনিজেস্ব প্রতিবেদক:
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভেকেট রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুধু শ্লোগান নয়, এটি একটি আদর্শ। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রবাসী সরকারের গঠনের সময় এই আদর্শ চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘ ২৫ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ চেতনা গড়ে উঠেছে। প্রবাসী সরকারের শপথের সময় স্বাধীনতার ইশতেহারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ঘোষনা করা হয়। এই চেতনায় ছিলো বাংলাদেশ হবে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক  ব্যবস্থায় সুষম অর্থনৈতিক বন্টনের মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। দেশের সকল নাগরিকের সাম্য-সমতা-মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সামরিক মুক্তি অর্জন করেছিলাম কিন্তু রাজনৈতিক মুক্তি আসেনি। রাজনৈতিক মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু যখন লড়াই শুরু করেন তখন তাকে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। ভাষা ভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক বিজয় অর্জনের জন্য লড়াই শুরু করেছেন। সেই লড়াইয়ে তিনি অনেক বেশি আন্তরিক ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি যদি আন্তরিক না হতেন তাহলে আমরা বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার দেখতাম না, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া দেখতে পারতাম না।
তিনি গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আয়োজিত সপ্তহব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা জজ কোর্টের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস.এম ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত আরো বলেন, সংবিধান এখনো ৭২’র সংবিধানে প্রত্যাবর্তন  করেনি। বর্তমান সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করে না। পঞ্চদশ সংশোধনীর পরেও এই সংবিধানে বাংলাদেশ আছে, আবার পাকিস্তানও আছে। এই সংবিধানে যেমন ধর্মনিরপেক্ষতা আছে তেমনি ধর্মতন্ত্রও আছে। পাশাপাশি সংবিধানে বঙ্গবন্ধু আছেন, জিয়া ও এরশাদের প্রেতাত্মাও আছে। ৭২’র সংবিধানে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ লড়াই করতে না পারি তাহলে আমরা সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে পারলেও তাদেরকে রাজনৈতকভাবে পরাজিত করতে পারবো না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছেন, আওয়ামী লীগ এতো ছোট দল হয়ে যায়নি যে, দল বড় করার জন্য যুদ্ধাপরাধী বা তাদের সন্তানদের দলে ঢুকাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, তাঁর দলে আগাছা ঢুকেছে।
এসময় সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরো বলেন, দেশে উন্নয়নের ব্রীজ হচ্ছে-কালভার্ট হচ্ছে। কিন্তু মানুষের মনোজগতের উন্নয়ন যদি না করা যায়, মানুষের মানিবক চেতনাই যদি উজ্জীবিত করা না যায় তাহলে কি সেই উন্নয়ন টেকসই হবে? আমরা উন্নয়নের শ্লেøাগান দিতে পারবো কিন্তু সেই উন্নয়ন টেকসই হবে না।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ সামছুল হক, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তানবীর ভূইয়া,  জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আবদুন নূর, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মালেক চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক সাইদুজ্জামান আরিফ । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাচিকশিল্পী বাছির দুলাল

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে