,

ব্যাংকে নগদ ডলার সঙ্কট, দাম বাড়ছেই

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের সরবরাহ কম থাকায় এর দাম এখন উর্ধ্বমুখী। সূত্র মতে, দীর্ঘ সময় পর বর্তমানে ব্যাংক খাতে নগদ সংরক্ষণের পরিমাণ কমে এক কোটি ডলারের নিচে নেমে গেছে।এই খাতের সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন, ব্যাংকের সঙ্গে খোলাবাজারে ডলারের দামে বড় পার্থক্যের ফলে বিদেশ যাওয়ার আগে অনেকে ব্যাংক থেকে ডলার কিনলেও দেশে ফিরে বেশিরভাগই বিক্রি করছেন খোলাবাজারে। সংকটের বড় কারণ এটি।

image-10091

মানিচেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মোস্তফা খান বলেন, সরবরাহ সংকটই ডলারের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে মূলত বিমানবন্দরে কড়াকড়ি আরোপ ও ভারতগামীরা রুপির নোটের পরিবর্তে ডলার নেয়াসহ বিভিন্ন কারণে। তবে ডলারের দাম এভাবে বাড়তির দিকে থাকলে মানিচেঞ্জারের ব্যবসা কমে। কেননা, হঠাৎ দাম বাড়তে থাকলে তখন অনেক প্রতিযোগিতামূলক দামে ডলার বেচাকেনা করতে হয়।

বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সিংহভাগই হয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরভিত্তিক। তবে দেশের বাইরে যেতে বা বিদেশ থেকে এখানে আসার সময় নগদ ডলার সঙ্গে নেয়ার প্রয়োজন হয়। ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের ওপরে থাকলেও নগদ ডলারের সংকট মিটছে না।

উল্লেখ্য, নগদ ডলার বেশি বেচাকেনা করে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী, জনতা ও অগ্রণী এবং বেসরকারি ও বিদেশি খাতের হাতেগোনা দু-একটি ব্যাংক। সোনালী ও জনতা ব্যাংক বুধবার প্রতি ডলার ৮২ টাকা ১০ পয়সা দরে কিনে বিক্রি করেছে ৮৩ টাকা ১০ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক ৮২ টাকা ২০ পয়সা দরে কিনে ৮৩ টাকা ২০ পয়সা দরে বিক্রি করেছে। অবশ্য এর চেয়ে কম বা বেশি দামেও অনেক ব্যাংকে ডলার বেচাকেনা হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতিটি ক্ষেত্রে তা অন্তত এক টাকা কম ছিল।

ব্যাংকের দামে এরকম চিত্র থাকলেও খোলাবাজারে প্রতি ডলার ৮৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৮৩ টাকা ৮০ পয়সা দরে বিক্রি করা গেছে। আর খোলাবাজার থেকে কিনতে ব্যয় করতে হয়েছে ৮৪ টাকা থেকে ৮৪ টাকা ২০ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার দিন শেষে ব্যাংকগুলোর কাছে নগদ ৯০ লাখ তিন হাজার ডলার ছিল। এক কর্মদিবস আগে ছিল ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এক মাস আগে ৩১ অক্টোবর ছিল এক কোটি ১৮ লাখ ডলার।

গত বছরের একই সময়ে ছিল এক কোটি ২২ লাখ ডলার। তার আগের বছরের একই সময়ে ছিল দুই কোটি ৬২ লাখ ডলার। ব্যাংকে নগদ ডলারের সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত বছর স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে ৫০ লাখ ডলার সমমূল্যের নোট আমদানির অনুমতি দেয়। তবে কর জটিলতায় তা আর আমদানি হয়নি। ব্যাংকটি ৪০ লাখ ডলারের নোট, আড়াই লাখ ইউরো ও এক লাখ ব্রিটিশ পাউন্ডের নোট আনার আবেদন করে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে