,

আপিলেও মৃত্যুদণ্ড বহাল মুফতি হান্নানসহ ৩ আসামির

image-2নিজস্ব প্রতিবেদক : সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যার দায়ে জঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ আজ বুধবার সকালে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন-শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপন।

হাইকোর্টে বহাল থাকা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে মুফতি হান্নানসহ দুই আসামির করা আপিল শুনানি গত ৩০ নভেম্বর শুরু হয়। সেই আপিল শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) রায়ের জন্য বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দিন নির্ধারণ করেন আদালত। সে অনুযায়ী, বুধবার সকালে মৃত্যুদণ্ডই বহাল রেখে রায় দেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর এই মামলায় মুফতি হান্নানের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

এই মামলায় আসামিদের মধ্যে মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং হান্নানের ভাই মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি এবং মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল সিলেটের একটি আদালত।

বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে চলতি বছর ৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট এই মামলায় রায় দেন। রায়ে মুফতি হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন।

হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। পরে ১৪ জুলাই হাইকোর্টের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেন মুফতি হান্নান। সেই আপিল শুনানি শেষেই রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করা হল।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন। ঘটনার দিন অজ্ঞাতপরিচয় আসামির বিরুদ্ধে মামলা করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

মামলার তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই মুফতি হান্নানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর পর সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালের নাম অন্তর্ভুক্ত করে অভিযোগ গঠন করা হয়।

বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। অন্যদিকে মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ এবং মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন করতে প্রয়োজনীয় নথি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি ২০০৯ সালে আসামিরা জেল আপিলও করেন। প্রায় সাত বছর পর গত ৬ জানুয়ারি এ মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে