,

নিউজিল্যান্ডকে বড় ব্যাবধানে হারিয়ে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

Australia v New Zealand - ODI Game 2স্পোর্টস ডেস্ক : এ যেন অস্ট্রেলিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোরই গল্প। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ওয়ানডে সিরিজে ৫-০-তে হেরে ফিরেছিল তারা। নিজেদের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩-০তে ধবল ধোলাই হওয়ার লজ্জার সামনে পড়েছিল। এর কিছুদিন এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তো সেই লজ্জা নিয়েই দেশে ফিরতে হয়েছে।

অ্যাডিলেডে দিনরাতের টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই যেন হারানো আত্মবিশ্বাসটা খুঁজে পেল অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সিডনির পর আর ক্যানবেরার মানুকা ওভালেও তারা তুলে নিয়েছে বড় এক জয়। কী দুর্দান্তভাবেই না ঘুরে দাঁড়াল নানা দিক থেকে চাপের মুখে থাকা দলটা।

প্রথমে ব্যাট করে ৩৭৮ রানের পাহাড় গড়ে জয়ের দিকে এক ধাপ এগিয়েই ছিল স্টিভেন স্মিথের দল। জবাব দিতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২৬২ রানেই অল আউট। ১১৬ রানে জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সবার সামনে যেন ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ এক গল্পই শোনাল। তাতে আবারও বড় ভূমিকা রাখলেন অধিনায়ক স্মিথ। গত ম্যাচে সেঞ্চুরি আর দুর্দান্ত সেই ক্যাচের পর আজ ৭৬ বলে ৭২। তবে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের মূল নায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

তাঁর আজকের ১১৯ রানের ইনিংস এই বছরে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। কোনো অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে এক বর্ষপঞ্জিতে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড। রিকি পন্টিং দুবার ৫টি করে সেঞ্চুরি করেছিলেন সুনির্দিষ্ট কোনো বছরে। ম্যাথু হেইডেন একবার।

অস্ট্রেলিয়ার ৩৭৮ রানের ইনিংসও অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিশেষ কিছুই। ওয়ানডে ক্রিকেটের ৪৬ বছরে এটি অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আজকের আগে অস্ট্রেলিয়ার দুটি বড় সংগ্রহ হচ্ছে—২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪৩৪ আর ২০১৫ সালে পার্থের ওয়াকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৪১৭।

ওয়ার্নারের ১১৯ রান আসে ১১৫ বলে। ১৪টি চার ও একটি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল তাঁর এই ইনিংস। স্মিথের সঙ্গে ওভারে ছয়ের ওপরে রান তোলা ১৪৫ রানের জুটিও গড়েছিলেন। এর পাশাপাশি মিচেল মার্শের ৭৬-ও দলের সংগ্রহে রেখেছে বড় ভূমিকা।

শেষ ১০ ওভারে ১২৬ রান তুলে সংগ্রহটাকে পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাট হেনরি তাঁর ১০ ওভারে দিয়েছেন ৯১ রান, বোল্ট ৮০। এটি প্রথমবারের মতো একই ম্যাচে দুজন কিউই বোলারের ৮০ বা তার চেয়ে বেশি রান খরচের ঘটনা। তবে ইনিংসে দারুণ বল করেছেন মিচেল স্যান্টনার। তাঁর ১০ ওভার থেকে আসে মাত্র ৪৭।

অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা চালিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। মার্টিন গাপটিল ঝড় তুলেছিলেন মানুকা ওভালে। ৩৩ বলে ৪৫ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে জবাবটা তিনি ভালোই দিচ্ছিলেন। তাঁর তোলা ঝড়ের পর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন আর জিমি নিশাম লড়াই চালিয়েছিলেন। উইলিয়ামস ৮০ বলে ৮১ আর নিশামের ৭৪ রান অবশ্য পাহাড় ডিঙানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। একপর্যায়ে ২ উইকেটে ১৭৭ তুললেও আস্কিং রান রেটের ফাঁসটা আলগা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের লড়াইটা শেষ করে দেন প্যাট কামিন্স। ৪১ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক, জেমস ফকনার ও জশ হ্যাজলউড। সিরিজের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত হলো অস্ট্রেলিয়ার। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে নিউজিল্যান্ড শেষ ম্যাচটা থেকে প্রেরণার কিছু কুড়িয়ে নিতে চাইবে। শেষ ম্যাচটা ৯ ডিসেম্বর, মেলবোর্নে। এরপর ২৬ ডিসেম্বর নিজেদের মাঠে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে।

এই সিরিজে হোয়াইট-ওয়াশ হলে সেটা তাদের জন্য বাড়তি চাপের তো হবেই। বাংলাদেশের কাছে যে দুবার বাংলাওয়াশ হওয়ার স্মৃতিও আছে নিউজিল্যান্ডের। অবশ্য বাংলাদেশকে এবার এসে খেলতে হবে নিউজিল্যান্ডের পেসবান্ধব কন্ডিশনে। সূত্র: স্টার স্পোর্টস।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা