বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতেই শফিক রেহমানকে স্বশরীরে দেখতে যাননি খালেদা জিয়া

khada_96260-2-4বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতেই সদ্য কারামুক্ত শফিক রেহমানকে স্বশরীরে দেখতে যাননি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
সূত্রমতে, খালেদা জিয়া যদি শফিক রেহমানকে দেখতে যেতেন, তবে বঙ্গবন্ধু পরিবার ও জিয়া পরিবারের মধ্যে একটি সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হবে। শফিক রেহমানকে দেখতে গেলে, মামলার বিষয়কে মনের অজান্তে হলেও আসকারা দেয়া হতে পারে। এসব আশঙ্কা থেকেই খালেদা জিয়া শফিক রেহমানকে দেখতে যাননি। তবে উভয়ের মধ্যকার সম্পর্ক অটুট আছে পুরোপুরিই। শফিক রেহমান কারামুক্ত হবার পর থেকে এখন অব্দি খালেদা জিয়া তার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন বলে দৈনিক আমাদের অর্থনীতিকে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন নেতা।
প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ চক্রান্তের মামলায় গত ১৬ এপ্রিল গ্রেফতার করা সাংবাদিক শফিক রেহমানের জামিনে মুক্তি মেলে গত ৩১ আগস্ট।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তা খুবই স্পর্শকাতর হিসেবে আমলে নিয়েছেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কেননা, সজীব ওয়াজেদ জয় শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা নন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাত বংশধরও। তাকে অপহরণ চক্রান্তের মামলা একটি বিশাল ও খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। তার উপর বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সুরক্ষায় বিশেষ আইনও আছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দৈনিক আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রথমে স্কাইপ কেলেঙ্কারির যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংশ্লিষ্ট এবং স্পর্শকাতর হলেও শফিক রেহমানের মামলার মতো অতি স্পর্শকাতর নয়। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা বাকি মামলাগুলোর অভিযোগও গুরুতর বটে। কিন্তু শফিক রেহমানের মামলার কাছে একেবারেই নগণ্য। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্বশরীরে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহমুদুর রহমানকে দেখতে যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা দৈনিক আমাদের অর্থনীতিকে জানান, মাহমুদুর রহমান ও শফিক রেহমান- উভয়েই বিএনপির নিবেদিত প্রাণ। কিন্তু কিছু গুরুতর স্পর্শকাতর বিষয়ের অস্তি¡ত্ব আশঙ্কা থাকায় শফিক রেহমানকে চেয়ারপারসন দেখতে যাননি।
২০১২ সালে ঘটা স্কাইপ কেলেঙ্কারির অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল। মোট ৭০টি মামলার আসামি মাহমুদুর দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর কারাবাসের পর গত ৩ নভেম্বর জামিনে মুক্তি লাভ করেন। সেদিন থেকে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। গত বুধবার রাত ১০টার দিকে খালেদা জিয়া ইউনাইটেড হাসপাতালে মাহমুদুর রহমানকে দেখতে যান।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত