,

মহাকাশে ৭ হাজার টন বর্জ্য : পরিস্কারের উদ্যোগ

mohakash-550x367১৯৫০ এর আগে মহাকাশে যাওয়ার কথা কল্পনাও করা যেত না। কিন্তু গত কয়েক দশকে সেই কল্পনাকে অতিক্রম করে আবিষ্কার হচ্ছে অজানা বহু তথ্য। কেবল পৃথিবীতে যোগাযোগ প্রসার হয়েছে তা নয় বরং আমরা চলে গেছি সুদূর মহাকাশেও।
কিন্তু শঙ্কার বিষয় হলো, যখনই মাহাকশে কোন স্যাটেলাইট স্থপান করা হয়েছে তখন সেখানে রেখে এসেছে কিছু বর্জ্য। যা ক্রমেই স্তুপ হয়ে বাড়ছে। এসব বর্জ্য সেখানে খুব দ্রুত গতিতে ছোটাছুটি করছে। বিজ্ঞানীর বলছেন, এসব বর্জ্য ভবিষ্যতের যেকোন অভিযানের জন্যেও হুমকি হয়ে উঠছে। মহাকাশে বর্তমানে আবর্জনার পরিমাণ প্রায় সাত হাজার টন।
ব্রিটেনে সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. হিউ লুইস বলেছেন, এসব বর্জ্য বিভিন্নভাবে সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মিশন চালনোর ফলেও এগুলো তৈরি হয়েছে। সেখানে পাঠানো যেকোন মহাকাশ যান শেষ পর্যন্ত বর্জ্যে পরিণত হতে পারে।
তিনি বালেন, ‘অনেকেই বলছেন, ইতোমধ্যেই মহাকাশের আবর্জনা ধারণ করার ক্ষমতার সীমা পার হয়ে গেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে অনেক সংঘর্ষ হতে পারে। আমরা মনে হয়, এই ধারণা প্রমাণ করার জন্যে তথ্যপ্রমাণ এখনও মানুষের হাতে এসে পৌঁছেনি। তারপরেও বলবো, মহাকাশের এই দূষণ এমন এক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে এখন তার একটু যতœ করা উচিত।’
অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন মহল মহাকাশ দখল করার যুদ্ধে অনবরত লিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়তই মহাকাশ দূষণ করে আসছে। এবার প্রয়োজন মাহাকাশকে আবর্জনা মুক্ত করা। বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ১০ সেন্টিমিটারেরও বেশি প্রশস্থ ২২ হাজারেরও বেশি স্পেস আবর্জনার ওপর নজর রাখছেন।
যুক্তরাজ্যে সারি স্পেস সেন্টার আগামী বছরে এরকম একটা উচ্চাকাক্সক্ষী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এটি হবে পরীক্ষামূলক। প্রথমে তারা একটি যান পাঠাবে মহাকাশে। তারপর ওই যান থেকে ছুড়ে ফেলা হবে বিশেষভাবে তৈরি কিছু বর্জ্য। এবং পরে সেখানে জাল ফেলে ওই বর্জ্যটি ধরার চেষ্টা করা হবে।
এর উদ্দেশ্য হচ্ছে- পৃথিবীর কক্ষপথে পড়ে থাকা একটি স্যাটেলাইট ধরার কাজ কতোটা সহজ বা কঠিন সেটি পরীক্ষা করে দেখা। সারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এরকম আরো কিছু পরীক্ষা চালাবেন।
তার একটি হবে মহাকাশেই এই আবর্জনাকে ধ্বংস করে ফেলার পরীক্ষা। এই প্রকল্পেরই একজন বিজ্ঞানী ড. জেসান ফরশো বলছেন, ‘এই পরিচ্ছন্নতার অভিযান নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজনা বোধ করছি।’
আশঙ্কা করা হচ্ছে হচ্ছে, বর্তমান যে হারে মহাকাশ দূষণ চলছে এমনভাবেই যদি চলতে থাকে, কোন কার্যকরি পদক্ষেপ যদি না নেওয়া হয় তবে পৃথিবীর ওপরে বড়ো রকমের ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। সূত্র; বিবিসি বাংলা

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে