,

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ২ সদস্য গ্রেফতার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায় চিটাগাং রোড এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।মঙ্গলবার বিকেলে র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

image-7421

এতে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) সদস্যরা চিটাগাং রোড এলাকায় নাশকতা করার পরিকল্পনা করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ১১-এর একটি টিম মঙ্গলবার বেলা সোয়া ২টার দিকে অভিযান চালায়। এ সময় আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সক্রিয় সদস্য মো. আব্বাস আলী (২৭) ও মো. সাব্বির হোসেন ওরফে সাজুকে গ্রেফতার করা হয়। আব্বস আলী ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার ছনকান্দ গ্রামের মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে এবং সাব্বির রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার ধুমেরকুঠি হারাগাছা এলাকার বাসিন্দা মো. সাহেব আলীর ছেলে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উগ্রবাদী জিহাদী বইপত্র, চাপাতি ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, মো. আব্বাস আলী বলেছে, ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ময়মনসিংহের নিজ গ্রাম ছনকান্দায় একটি ঘরোয়া মাহফিলে জসিম উদ্দিন রহমানির বয়ান শুনে তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। গাজীপুর সাইন বোর্ড এলাকায় একটি গার্মেন্টস কারখানায় চাকরি করার সময় ফিরোজ ও সেলিমের সাথে জিহাদী বই লেনদেনের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। তাদের মাধ্যমে সে আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় জসিম উদ্দিন রাহমানির সাথে একাধিকবার তার সাক্ষাৎ হয়।

র‌্যাব আরো জানায়, ফেসবুকে ৬/৮জনের গ্রুপ তৈরির মাধ্যমে তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতো। এছাড়াও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তারা TOTANUTA ইমেইল ব্যবহার করতো।

মো. সাব্বির হোসেন সাজু বেশ কিছু ফেসবুক আইডির এডমিন হিসেবে নিযুক্ত ছিল। অপারেশন্যাল বা গুরুত্বপুর্ণ সাংগঠনিক কাজে গ্রুপের সকল সদস্যরা এক হতো। সাব্বিরের আইটি বিষয়ে ভালো দখল থাকায় আব্বাস তাকে প্রাধান্য দিত। সে বেশ কিছু জিহাদী ও সাংগঠনিক বই সংগ্রহ করে এবং অন্যদের এ বিষয়ে উদ্ধুুদ্ধ করা শুরু করে। তারা বিভিন্ন এলাকায় বিভক্ত হয়ে কাজ করতো। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা আরও কয়েকটি গ্রুপের সাথে পরিচিত হয় যারা আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সাথে সম্পৃক্ত।আব্বাস ও সাব্বিরের সহযোগী আরো ৮ জন রয়েছে। তারা হলো রাশেদুল ইসলাম স্বপন, কামাল, শহীদ, হুজাইফা, আব্দুল আজিজ, রাফিন, আব্দুল হাই ও আদনান।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে আরো বলেছে, তারা সোশ্যাল মিডিয়া হতে আল কায়দার ভাবাদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দেশে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল কাশিমপুর কারাগারে হামলা করে জসিমউদ্দিন রাহমানীকে মুক্ত করা। এজন্য তারা কাশিমপুর এলাকায় কয়েকটি গ্রুপের সাথে সমন¡য় করছিল এবং সুযোগ পেলে হামলা করবে বলে অপেক্ষায় ছিল। আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় রাস্তায় হামলা করে তাদের ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনাও করছিল।

এছাড়া টার্গেট কিলিং এর জন্য তারা বিভিন্ন আলোচিত ব্লগার ও তাদের ভাষায় কথিত নাস্তিকদের হত্যার পরিকল্পনা করছিল। এই কাজগুলো করার জন্য তারা অন্যান্য জঙ্গি গ্রুপের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে একত্রিত হয়ে কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। তারা নিয়মিত সভা করে সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ করতো। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাদের আদর্শিক নেতা হিসেবে কারাগারে আটক জসিমউদ্দিন রাহমানীর পাশাপাশি তামিম আল আদনানির নাম জানা যায়।তামিম বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে