,

নতুন যুগের সূচনা করবেন ট্রাম্প-পুতিন

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :গঠনমূলক সহযোগিতার এক নতুন যুগের সূচনা করবেন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৈরী এ দুই পরাশক্তির মধ্যে এমন সম্পর্কের কথা ক্রেমলিন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

170593_157

এতে বলা হয়েছে, সোমবার এ দুই নেতা ফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তারা মুখোমুখি আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় ডনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর মধ্য দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন। তিনি ট্রাম্পকে সুবিস্তৃত আশার কথা শুনিয়েছেন। ওয়াশিংটনে ক্ষমতার হাতবদলের মধ্যদিয়ে দেশ দুটির মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পুতিন। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। দু’নেতার এ ফোনালাপ নিয়ে ক্রেমলিন বলেছে, মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্ক ‘অসন্তোষজনক’ অবস্থায় রয়েছে। তাই তারা অংশীদারির মতো সংলাপে বসতে চান। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের লক্ষ্য হলো সুবিস্তৃত ইস্যুতে গঠনমূলক সহযোগিতার এক নতুন যুগের সূচনা করা। তারা তাদের অভিন্ন ও এক নম্বর শত্রু- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই চালিয়ে যেতেও একমত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে আইএসের বিরুদ্ধে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। মস্কো থেকে বলা হয়েছে, ওই টেলিফোন সংলাপে উঠে আসে সিরিয়া ইস্যুও। তবে ট্রাম্প-পুতিন কবে, কোথায় মুখোমুখি আলোচনায় বসবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। আগামী ২০শে জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই শুরু হবে তার মিশন। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ট্রাম্প সফল হবেন এমন প্রত্যাশা করেন ভ্লাদিমির পুতিন। সমতার ভিত্তিতে এরই মধ্যে পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।
ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৭ সালে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ২১০ বছর পূর্ণ হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বছরটিতে তাই দুই দেশের উচিত হবে প্রায়োগিক দিক থেকে দুই দেশের জন্যই লাভজনক সহায়তায় উপনীত হওয়া। ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় বারবার রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রশংসা করেছেন। পুতিনকে ‘শক্তিশালী নেতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। ট্রাম্পের এমন আচরণ হিলারি ও ডেমোক্রেটদের সমালোচনা কুড়িয়েছে। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক রয়েছে- এমন দেশের নেতাকেও ট্রাম্প নিজ দেশের প্রেসিডেন্ট ওবামার ওপরে স্থান দিয়েছেন। ওবামা ও পুতিনের মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই সুখকর নয়। ক্রাইমিয়া ও ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার অবস্থানের সমালোচনা বারবার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়া ইস্যুতেও দুই দেশের সম্পর্ক মুখোমুখি। তবে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণ করলে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পুতিন। মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের ভায়া হয়ে পুতিন বলেন, ‘ট্রাম্পের প্রথম বার্তা আমাদের আশা জুগিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ফলাফলের অর্থ এই নয় যে মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যেকার বিবদমান ইস্যুগুলোর সমাধান হয়ে গেছে। মূল বিষয় হলো- সেগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমাধা করার ইচ্ছা।’ তবে ট্রাম্প ও পুতিনের পারস্পরিক এমন ইতিবাচক মনোভাব ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সতর্কবার্তা পৌঁছে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাবিশ্ব নমনীয় মনোভাব পোষণ করলে তা রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের দখলদারি প্রবৃত্তিকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে- এমন উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন তারা। বিশেষ করে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। বিশেষত, ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায় নিউট গিনগ্রিচের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার খবর তাদের আতঙ্কিত করেছে। কারণ, গিনগ্রিচ নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেছিলেন, এস্তোনিয়া সেন্ট পিটার্সবার্গেরই অংশ।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে