,

হিলারিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নন

hiilaryআন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে হিলারি ক্লিনটনের আগে বড় দুই দল থেকে কোনও নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে দেখা যায়নি। তবে তার মানে এ নয় যে, হিলারির আগে অন্য কোনও নারীই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হননি। বরং হিলারি ক্লিনটনের আগে ১২ জন নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তারা বড় দুই দল ডেমোক্র্যাটিক কিংবা রিপাবলিকান পার্টি থেকে মনোনয়ন পাননি। অন্য দল কিংবা স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তারা।

মঙ্গলবারের (৮ নভেম্বর) নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নন। হিলারি ক্লিনটন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নন, সেটা পরিষ্কার হয়েছে তার বক্তব্যেও। প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর হিলারি ক্লিনটন বলেছিলেন, ‘প্রথমবারের মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের টিকেটে একজন নারীকে প্রার্থিতা দেওয়া হলো।’

নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, হিলারির আগেও ১২ জন নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হয়েছে যারা থেকে গেছেন আলোচনার বাইরে। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী পেয়েছিল ১৮৭২ সালে। তিনি হলেন ভিক্টোরিয়া উডহল। ১৮৭২ সালের নির্বাচনে ইকুয়্যাল রাইটস পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া। অথচ সে সময় নারীর জন্য ভোটাধিকার পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। কিন্তু তাতে দমে যাননি ইতিহাসের জন্ম দেওয়া নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী ভিক্টোরিয়া।

যতোটা না প্রেসিডেন্ট হওয়া,তার চেয়েও বেশি করে নারী-অধিকার প্রশ্নে নিজের অবস্থানের কারণে রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন তিনি। দেড়শো বছর আগে নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী ভিক্টোরিয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে ইতিহাস গড়লেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। তবে এটাও ঠিক যে আজকে যে বাস্তবতায় হিলারি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে পেরেছেন, সেই পথ রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল ভিক্টোরিয়ার।

১২ বছর পর ১৮৮৪ সালে বেলভা অ্যান লকউড প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হন। জাতীয় পর্যায়ে প্রচারণা চালানো প্রথম নারী প্রার্থী তিনি। এরপর ১৯৮৮ সালে নিউ অ্যালায়েন্সের হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা পান আরেক নারী। তিনি হলেন, লেনোরা ফুলানি। জাতীয়ভাবে ব্যালট পেপারে নাম ওঠা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীও তিনি। দেশজুড়ে আড়াই লাখ ভোট পেয়েছিলেন তিনি। খুব সম্প্রতি বড় দুই দলের বাইরে গ্রিন পার্টির হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নারী প্রতিনিধিত্ব দেকা গেছে। ২০১২ সালের নির্বাচনে গ্রিন পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৫ লাখ ভোট পেয়েছিলেন জিল স্টেইন। এ বছরের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন তিনি। বাংলা ট্রিবিউন

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে