,

বাঞ্ছারামপুরে বন কর্মকর্তার যোগসাজসে ৪৫টি গাছ বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ !

b-baria-map-mainনিজস্ব প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রজাতির ৪৫টি গাছ বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাঞ্ছারামপুর-সোনারামপুর-সলিমগঞ্জ সড়কের পাহাড়িয়াকান্দি এলাকায় এ বিক্রি ঘটনা ঘটে। উপকারভোগীরা উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকাবাসি। গাছ কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যেন বন বিভাগের কোন মামলা না হয় সে জন্য মোটা অংকের টাকা লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর-সোনারামপুর-সলিমগঞ্জ সড়কে ১৯৯৬ সালে সামাজিক বনায়ন করে বনবিভাগ ও পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পাহাড়িয়াকান্দি থেকে আকানগর ভোলা মার্কেট পর্যন্ত সামাজিক বনায়ন করা হয়। এতে শিশু, চামল, মেহগনি, আকাশমনিসহ কয়েকটি প্রজাতির পাঁচ শতাধিক গাছের চারা রোপন করা হয়। পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের ৫৫ জনের সমন্বয়ে উপকারভোগী একটি কমিটি রয়েছে।
উপকারভোগীর সভাপতি সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম নেতৃত্বে গত এক মাস ধরে ওই সড়কের পাহাড়িয়াকান্দি থেকে আগানগর পর্যন্ত এলাকা থেকে শিশু, চামল ও আকাশমনি প্রজাতির ৪৫টি গাছ বিক্রি করে দেয় উপকারভোগী সমিতি।
গতকাল বুধবার পাহাড়িয়াকান্দি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের পূর্ব পাশে ব্রিজের পর চামল গাছের কিছু গুড়ি ও ডালপালা পড়ে রয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চামল, শিশু ও আকাশমনি গ্রাছের গোড়া মাটির উপরে কাটা অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত ৪৫টি গাছ বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এবিষয়ে উপকারভোগী সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা সমিতির লোকজন মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়ে মরা গাছসহ ১০-১২টি গাছ বিক্রি করে দিয়েছি। গনি চেয়ারম্যান গাছ বিক্রি থেকে একটা অংশ পায় সেজন্য তিনিও আমাদের সঙ্গে আছেন।”
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উপকারভোগী জানান, “বন কর্মকর্তা মতিন স্যারকে গাছ বিক্রির ২০ পার্সেন্ট টাকা দিয়েছি। এখন তিনি ঝামেলায় পরাই আমাদের সবার বিরুদ্ধে ইউএনও স্যারের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছে।” এবিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা আবদুল মতিন যোগসাজশের কথা অস্বীকার করে বলেন, “ইউএনও স্যার গাছ কাটার বিষয়ে আমার নিকটে প্রতিবেদন চেয়েছে। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। যারা এভাবে গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে তারা ডাকাতের চেয়েও অধম। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে