বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বর শোডাউন করবে বিএনপি

 
নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে’ কেন্দ্র করে রাজধানীতে শোডাউনের পরিকল্পনা করছে বিএনপি। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অথবা নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে দিবসটি উপলক্ষে জনসমাবেশ করার চিন্তা করছে দলটি। যেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বক্তব্য রাখবেন।

image-2608

এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পরে বিএনপির মাঠের কর্মসূচির সূত্রপাত ঘটতে যাচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সমাবেশ করবেন বিএনপি প্রধান। নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টিতে জনমত গঠন ও নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিএনপি নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাজা দেয়ার প্রচেষ্টার প্রতিবাদ ও ৫ জানুয়ারির মতো আরো একটি সাজানো বা পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কাসহ নানা ইস্যুর দিকেই থাকছে কর্মসূচির মূল ফোকাস। এরই মধ্যে বেগম জিয়ার নির্দেশনা তৃণমূলে পৌঁছে গেছে। ফলে দ্রুত তৃণমূলের কমিটিগুলো পুনর্গঠনের কাজ শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন দায়িত্বশীলরা।

দলটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সরকার ৫ জানুয়ারির মতো আবারো একটি সাজানো বা পাতানো নির্বাচন করে ফেলতে পারে। পাশাপাশি মানিলন্ডারিং মামলায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাত বছরের সাজা ও দুর্নীতির মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিচার করারও পাঁয়তারা চলছে। এই অবস্থায় মাঠে নামা ছাড়া বিকল্প নেই। দলটির নেতাদের যুক্তি, এতে সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে যথার্থ হিসাব কষতে বাধ্য হবে।

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ইস্যুটি বিএনপির কাছে এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আছে আর মাত্র পাঁচ মাস। পরবর্তী নির্বাচন নতুন কমিশনের অধীনই হবে। বিএনপি কোনোভাবে একতরফাভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে দেবে না। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গ্রহণযোগ্য কমিশন গঠনে সরকারকে বাধ্য করতে সব রকম চেষ্টা চালাবে তারা। নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেয়া হবে। এরপরও ক্ষমতাসীনরা যদি সবার মতামত উপেক্ষা করে বর্তমান কমিশনের মতো ফের পক্ষপাতমূলক নির্বাচন কমিশন গঠন করে তবে পুণরায় বিএনপি রাজপথে নামবে।

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি পূরণ না হওয়ায় ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনে নেমেছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। বিএনপি সূত্র জানায়, বিএনপি পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে মূলত আলোচনার পক্ষপাতি। এ ক্ষেত্রে কোনো পূর্বশর্তও নেই তাদের। সমঝোতার ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন নিশ্চিত হলে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নিতে আপত্তি নেই দলটির। আলোচনার টেবিলে বিএনপি যে দু’টি বিষয় ফোকাস করতে চায় তা হচ্ছে, নির্বাচনকালীন সরকার কাঠামো এবং শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন।

৭ নভেম্বর প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিবার্তাকে বলেন, ৭ নভেম্বর আমরা সবসময়ই কর্মসূচি দিয়ে থাকি। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। তাই গণতন্ত্রের মূলতন্ত্র হচ্ছে বাক-স্বাধীনতা। হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতেই আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার আমাদের কর্মসূচিতে কোন ধরণের বাধা দিবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত