বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সব পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সবিধা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

image-3192নিজস্ব প্রতিবেদক : চীনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সবিধা চেয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই সুবিধা চান রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন পরে সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের সব পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব বলেন, ‘সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘আমাদের অনুরোধ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনের বাজারে বাংলাদেশের সব পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে রাষ্ট্রপতি হামিদের সঙ্গে ছিলেন।

অর্থনৈতিক, বাণিজ্য, কৃষি, শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলেও মত দেন চীনের প্রেসিডেন্ট।

রাষ্ট্রপতির অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বলেন, পঞ্চাশের দশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা শুরু হয়। চীনা প্রেসডেন্টের সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের ‘সর্বাত্মক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার সেই সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতায়’পৌঁছে যাবে বলে তিনি ‘বিশ্বাস’করেন।

বঙ্গভবনের কেবিনেট হলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি চীনের প্রেসিডেন্টকে বলেন, চীনের যেমন ‘চাইনিজ ড্রিম’আছে বাংলাদেশেরও আছে ‘ভিশন ২০২১’ও ‘ভিশন ২০৪১’।

চীনকে বাংলাদেশের ‘বড় ব্যবসায়িক অংশীদার’উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেছেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং টেলি যোগাযোগে চীনের সহযোগিতাকে বাংলাদেশ গুরুত্ব দেয়।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সন্মানে আবদুল হামিদের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ভোজে উপস্থিত ছিলেন।

দুই দিনের সফরে সকালে ঢাকা পৌঁছান চীনের প্রেসিডেন্ট। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

বিকালে শি জিনপিং ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুই দেশের প্রতিনিধি দলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। পরে তাদের উপস্থিতিতে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই হয়, ছয়টি প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত