,

২৩৬৭ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা : গেজেট বাতিলের রায় স্থগিত

1472056945নিজস্ব প্রতিবেদক ; মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা-সংবলিত গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি। পাশাপাশি ওই দিন বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আজ রোববার অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা-সংবলিত গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায় স্থগিত চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর আবেদন করে। এ আবেদন আজ শুনানির জন্য ওঠে।

রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। অন্যদিকে ছিলেন আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী।

পরে সুব্রত চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আদালত হাইকোর্টের রায় ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে ওই দিন বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘মন্ত্রণালয় বলতে চেয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তি সব সময় হয়েছে ব্যক্তিগত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। যেহেতু একটি সংস্থার তরফ থেকে কতগুলো নাম দিয়ে তালিকা দেওয়া হয়েছে, এটি ঠিক হয়নি। তালিকাভুক্তির নিয়ম হলো, প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করতে হবে, সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রগুলো দিতে হবে—এসব যুক্তিতে আবেদনটি করা হয়।’ তিনি বলেন, অনেকে ভাবছেন, সব বাতিল হয়ে যাবে, ব্যাপারটি এমন নয়, ব্যাপারটি প্রক্রিয়াগত। তিনি যতটুকু শুনেছেন, ইতিমধ্যে অনলাইনে অনেকে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করেছেন, এগুলো বিবেচনাধীন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালের ২২ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করে। গেরিলা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার ও ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য কমরেড মণি সিংহ ও অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের নাম ছিল এতে। ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই তালিকা-সংবলিত প্রকাশিত গেজেট বাতিল করা হয়। তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই তালিকা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে তালিকা বাতিলের ওই প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই সঙ্গে তালিকা বাতিলের ২৯ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়। আবেদনকারী হিসেবে এতে পক্ষভুক্ত হন আরও ৩৩ জন মুক্তিযোদ্ধা। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে