,

ফোরজি সেবায় নতুন লাইসেন্স লাগবেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : থ্রিজি নীতিমালায় আইনের অস্পষ্টতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশের বিদ্যমান মোবাইল ফোন অপারেটররা নতুন কোনো লাইসেন্স ছাড়াই ফোরজি সেবা চালুর কথা ভেবে রাখলেও তা আর হওয়ার কোনোই সুযোগ নেই। বিটিআরসি জাতীয় সম্পদ ফ্রিকোয়েন্সির যথাযথ ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাইছে। তাই সংস্থাটি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, লাইসেন্স নিয়ে তবেই ফোরজি (চতুর্থ প্রজন্ম) বা লংটার্ম ইভালুয়েশন (এলটিই) সেবা প্রদান করতে পারবে টেলিযোগাযোগ অপারেটররা।

image-699
উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সম্প্রতি ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ওই তরঙ্গকে মোবাইল টেলিকম ব্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করেছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ ফোরজি এবং এলটিই মোবাইল ফোন সেবার জন্য বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। দ্রুত এ সেবা চালুর জন্য তরঙ্গ নিলামের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সরকারের পক্ষ থেকে যখন ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নির্ধারণ করে দিয়ে ফোরজি সেবার লাইসেন্স দেয়ার প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে, তখন প্রশ্ন উঠেছে- থ্রিজি লাইসেন্স নীতিমালার বিভ্রান্তিকর কিছু নীতিনির্দেশনা নিয়ে।

২০১৩ সালের ওই নীতিমালার একটি দফায় বলা হয়েছে, থ্রিজি (তৃতীয় প্রজন্ম) মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের জন্য বরাদ্দ তরঙ্গ (২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের) ফোরজি এবং এলটিই সেবায় ব্যবহার করতে পারবে।

মোবাইল অপারেটর রবি এ বিষয়ে গত ৩ মার্চ ‘রিকোয়েস্ট ফর ক্লারিফিকেশন ফোরজি/এলটিই সার্ভিসেস আন্ডার থ্রিজি লাইসেন্সেস’ শিরোনামে বিটিআরসিকে একটি চিঠি দেয়।

আর এই বিভ্রান্তি দূর করতে কমিশন লিগ্যাল ও লাইসেন্সিং বিভাগ, স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ও অপারেশন্স বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকে বসে। সার্বিক আলোচনা শেষে কমিশন নতুন লাইসেন্স নিয়ে ফোরজি সেবা দেয়া যাবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এ বিষয়ে বলেন, থ্রিজি লাইসেন্স দেয়ার সময় অপারেটরদের ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই ব্যান্ডের মাধ্যমে অপারেটররা ফোরজি ও এলটিই সেবা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। আর ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের স্পেকট্রাম এখনো বিক্রি হয়নি। সেক্ষেত্রে অপারেটরদের ফোরজি সেবা দেয়ার জন্য ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম কেনার পাশাপাশি নতুন লাইসেন্স নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বিটিআরসি ২০১২ সালে একই সঙ্গে থ্রিজি, ফোরজি ও এলটিই লাইসেন্সের জন্য খসড়া নীতিমালা তৈরি করে ওই বছরের ২৭ মার্চ তা চূড়ান্ত করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়ে দেয়। তখন বিটিআরসি ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ওই লাইসেন্স নিলামের তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব রেখেছিল। কিন্তু পরে শুধু থ্রিজির জন্য লাইসেন্স এবং এ সেবার জন্য ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ নিলামের মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়।

২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ওই নিলামে সরকারের হাতে থাকা ৮টি ব্লকে ২১০০ ব্যান্ডের মোট ৪০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের মধ্যে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই ৫টি ব্লকের ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি হয়। তার আগে সরকারি মালিকানার মোবাইল ফোন কোম্পানি টেলিটককে দেয়া হয় ওই ব্যান্ডের ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ।

২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের ওই নিলামে সর্বোচ্চ দুটি ব্লকের ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনে নেয় গ্রামীণফোন। নিলামে অংশ গ্রহণকারী অন্য ৩ অপারেটর-এয়ারটেল, রবি ও বাংলালিংক কিনে নেয় একটি করে ব্লকের মোট ১৫ মেগাহার্টজ। এর পর ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের অবশিষ্ট তরঙ্গ নিলামের উদ্যোগ নিয়েও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিটিআরসি।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে