বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদী দখলমুক্ত অভিযানে নামছে সেনা ও নৌবাহিনী

river-free-campaign-448x336রাজধানীকে ঘিরে থাকা বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী দখলমুক্ত করতে এবছরই অভিযান শুরু করছে সেনাবাহিনী। এরইমধ্যে সরকার নদী দখলমুক্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনা ও নৌবাহিনীকে। পরিবেশবিদরা বলছে, উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী নদীর সীমানা নির্ধারণ করে উদ্ধার কাজ শুরু করা উচিত।

ঢাকার উত্তর-পূর্ব দিয়ে প্রবাহিত বালু নদী ডেমরা, তারাবো হয়ে পড়েছে শীতলক্ষ্যায়। দীর্ঘ দিন ধরে পলি জমে শীতলক্ষ্যা ও বালুর মোহনায় সৃষ্টি হয়েছে চনপাড়া চর। ভূমি দস্যুদের কল্যাণে নদীর মাঝে ভূমির আকার দিন দিন বাড়ছেই। বিতর্কিত সীমানা পিলার তাদের দখলের কাজকে আরো সহজ করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা বলছে, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর ৩২.৬৭ একর সীমানা দখল হয়েছে।

তুরাগ নদের চিত্র আরও ভয়াবহ। আবদুল্লাহপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত তুরাগের ১২০ দশমিক সাত নয় একর জমি দখল হয়ে গেছে। কামরাঙ্গীরচর থেকে বসিলা পর্যন্ত বুড়িগঙ্গার ৯৭ দশমিক এক সাত একর জমি ভূমি খেকোদের দখলে।

স্বল্প সময়ে চার নদীর ২৫০ দশমিক ছয় তিন একর জমি দখল হওয়ায় পরিবেশবিদদের মত চিন্তিতি
সরকারও। নদী দখলমুক্ত করতে তাই সেনা ও নৌবাহিনীকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

পরিবেশবিদরা বলছেন, নদী দখলমুক্ত অভিযান শুরু করার আগে দরকার ২০০৯ সালের উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী নদীর সীমানা চিহ্নিতকরা।

চারটি নদী উদ্ধারে সফল হলে রাজধানীর সাথে সারা দেশের নৌ যোগাযোগে আমুল পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন গবেষকেরা।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত