,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিনোদনের নেই কোন সুব্যবস্থা একমাত্র পার্কটি অবহেলিত

22নিজস্ব প্রতিবেদকব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অত্যন্ত মনোমুক্ত কর পরিবেশে রয়েছে একমাএ ফারুকী পার্কটি। পার্কটির চতুরপাশে রয়েছে জেলার উচ্চ পদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বাসভবন।মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের স্বরনে নির্মিত হয় পার্কটির মাঝখানে শহীদ সৃতিসৌধ। ১৯৬৬সালে তৎকালীন রাশেদুল রেজা (আর,আর ফারুকী)সরকারি খাস জায়গার উপর পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। পার্কের পাশে রয়েছে দুইটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুল, জেলা পাঠাগার, একখানা মসজিদ। এছাড়া পরবর্তীতে এর ভিতরে সরকারি কর্মকর্তাদের খেলার জন্য তৈরী করা হয় টেনিস গ্রাউন্ড। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে এক পরিসংখ্যান হিসেব মতে দেখা যায় যে বর্তমানে শহরে বাস করেন অনুমানিক সাত থেকে আট লাখ লোকের মত। কিন্তু বিনোদনের নূর্নতম সুবিধা টুকু নেই এই জেলাবাসির। পরিবার পরিজন নিয়ে দেখা বা ঘুরার মত এতটুকু জায়গা ও নেই এই জেলা শহরে। বিশেষ করে কোমলমতি বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য শহরের আশে-পাশে দেখার মত বা উপভোগ করার মত কোন ধরণের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। বাধ্য হয়ে শহরের বেশীর ভাগ লোকজন তাদের আত্বীয়-বাচ্চা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এখানে আসতে হয়। বিনোদনতো দূরের কথা বসার ভাল ব্যবস্থা টুকু নাই এখানে। মাঝেমধ্যে কয়েকবছর পরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার পক্ষ থেকে কিছু স্বংস্কার করা হলে ও তা অল্প দিনের মধ্যেই রাতের আধারে লুট-তরাজ হয়ে যায়, দেখবালের দায়িত্বও নাই কারো।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এক শ্রেণীর বখাটে ছেলেমেয়েরা আড্ডার বেশ সুবিধাজনক স্থান করে নিয়েছেন এই পার্কটিতে। তারা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে কিছুটা বেহায়াপনা বেশে আড্ডা দিচ্ছে সারাক্ষণ। এদের মাঝখান থেকে কিছু উঠতি ও মাঝারি বয়সের মেয়েরা ছাএী বেশে অন্য কাজ হাসিল করছেন। তাদের আবার পার্কের ভিতর রয়েছে নিজস্ব সিন্ডিকেট। পার্কে ঘুরতে আসা অসহায় লোকদের বিভিন্ন ছলনায় ফেলে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে সবকিছু। অনেকেই দেখছেন এসব ঘটনা কিন্তু বলার মত নেই কেউ।
কথা হয় পার্কের ভিতরে জসিম উদ্দিনের নামক একজনের সাথে তিনি বলেন,আমার বাচ্চা মিশন খীষ্ট্রিয়ান প্রাইমারি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়েন। তবে পার্কের ভিতর যেরকম পরিবেশ তা দেখলে মনে হয় এটি যেন বেওয়ারিশ পার্ক। ভাল ভদ্র লোকজন তাদের বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়া মত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে কোন জায়গা নেই। আর সবচেয়ে বড় কথা আমাদের ছেলে-মেয়েরা চলাচলের সুবিধার জন্য পার্কের ভিতর দিয়ে স্কুলে নিয়ে যেতে হয়। তবে তারা দুচোঁখ দিয়ে যাদেখছেন তা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠার জন্য বিরাট হুমকি স্বরূপ।এছাড়া পার্কের ভিতর ঘুরতে আসা কথা অনেকের সাথে তারা বলেন, আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসি অচিরেই পার্কটির নতুন রূপে সংস্কার চাই, তানাহলে একসময় কোমল মতি ছেলে-মেয়েরা ও আমরা মানসিক ভাবে পঙ্গু হয়ে যাব।

img_20160920_132415

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে