,

মেসির জোড়া গোল, বার্সার পাঁচ

fbস্পোর্টস ডেস্ক : এই মৌসুমে নিজেদের জন্য নাকি নতুন একটা লক্ষ্য ঠিক করে রেখেছেন তাঁরা তিনজন। গত মৌসুমে তিনজনে সব প্রতিযোগিতা মিলে করেছিলেন ১৩১ গোল। সেটি তাঁরা পেরিয়ে যেতে চান এই মৌসুমে।

কোন তিনজন, বুঝতেই পারছেন। বার্সেলোনার বিখ্যাত ত্রয়ী—মেসি, নেইমার ও সুয়ারেজ। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেল্টিককে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পরই এই মৌসুমে গোলের লক্ষ্য ঠিক করেছিলেন ‘এমএসএন’। যে সেই লক্ষ্যের কথা ভুলে যাননি, সেই ম্যাচের পর আজই প্রথম খেলতে নেমে দেখিয়ে দিলেন তাঁরা। লিগে নবাগত লেগানেসকে উড়িয়ে দিলেন ৫-১ গোলে। চার গোলই এমএসএন ত্রয়ীর। মেসি করেছেন জোড়া গোল, সুয়ারেজ ও নেইমার একটি করে। অন্য গোলটি মিডফিল্ডার রাফিনহার।

লিগে আগের ম্যাচেই নবাগত আরেক দল আলাভেসের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল বার্সা। এই ম্যাচে লেগানেসও তাই ঘরের মাঠে ঠারেঠোরে আরেকটি ‘আলাভেস-কীর্তি’ গড়ার স্বপ্নের কথা জানিয়ে রেখেছিল। ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটে মনে হচ্ছিল, সেই স্বপ্নের দিকেই ছোটার প্রত্যয় নিয়ে নেমেছে লেগানেস। ওই সময় বার্সেলোনাকে নিজেদের অর্ধ ছেড়ে বলতে গেলে বেরোতেই দেয়নি নিজেদের ৮৮ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম স্প্যানিশ প্রিমেরা লিগায় উঠে আসা দলটি।

কিন্তু ওই দশ মিনিটই। এরপরই ম্যাচের লাগাম হাতে নিয়ে নিলেন মেসি-নেইমাররা। শুরু করে দিলেন গোলবন্যা। তা-ও এমনভাবে, দেখে মনে হচ্ছিল, গোল করা যেন পৃথিবীর সহজতম কাজগুলোর একটি। শুধু সহজ একটি সূত্র মেনে চলতে হবে—পাস দাও, দৌড়াও, ক্রস করো, বলটাকে জালে ঠেলে দাও।

বার্সার প্রথম তিনটি গোলই যে এল এই সূত্র মেনে। ১৫ মিনিটে প্রথমটি। আক্রমণ শুরু করেছিলেন মেসি, বাঁ দিকে সুয়ারেজকে বল পাস দিয়ে নিজে দৌড়ানো শুরু করলেন। ওদিকে সুয়ারেজ বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে আবার ক্রস বাড়ালেন মেসির দিকে। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের কাজ তখন খুবই সহজ, বলটাকে ঠেলে দেওয়া জালের দিকে।

৩১ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটিতে আবার মেসি-সুয়ারেজ। এবার মেসির ক্রস, সুয়ারেজের গোল। বক্সের ৩০ গজ দূরে বল পেয়ে দৌড়ে দুই-তিন ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে বেরিয়ে গেলেন মেসি। গোলকিপার এগিয়ে আসছেন দেখে আলতো পাস বাড়িয়ে দিলেন পোস্টের ৪-৫ গজ দূরে ফাঁকায় দাঁড়ানো সুয়ারেজের দিকে। গোল!

মেসি-সুয়ারেজ গোল করেছেন, নেইমারই বা বাদ যাবেন কেন। ব্রাজিল ফরোয়ার্ডও গোল পেলেন ৪৪ মিনিটে, একই সূত্র মেনে। এবার গোলের উৎসে সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের গোল উৎসবটা দ্বিতীয়ার্ধেও টেনে নিল বার্সেলোনা। ৫১ মিনিটে নেইমারকে বক্সে ফাউল করেন লেগানেস ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে গোল করেন মেসি। তবে ম্যাচে লুইস এনরিকের দলের সবচেয়ে সুন্দর গোলটি এসেছে রাফিনহার পায়েই। ৬৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে বার্সেলোনার পঞ্চম গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।

লেগানেসের হয়ে সান্ত্বনাসূচক গোল করেছেন গ্যাব্রিয়েল। তবে সেটিও চোখে লেগে থাকার মতো। ৮০ মিনিটে বার্সা বক্সের সামনে ফ্রি-কিক পায় লেগানেস। দুর্দান্ত শটে গোলকিপার টের স্টেগেনকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন গ্যাব্রিয়েল। যা এই ম্যাচে লেগানেসের একমাত্র সুখস্মৃতি হয়েই থাকল।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে