,

স্বাভাবিক জীবনে না ফিরলে চরম পরিণতি : র‍্যাব ডিজি

1473325597নিউজ ডেস্ক : স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলে দস্যুদের আর্থিকভাবে পুনর্বাসন করা হবে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। আর এখনো যারা না ফেরার সিদ্ধান্তে রয়েছে, তাদের চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের জলদস্যু শান্ত ও আলম বাহিনীর ১৪ সদস্যের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি দেন র‍্যাব ডিজি।

বরিশাল নগরীর র‍্যাব-৮ কমপ্লেক্সে ওই দস্যুরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের হাতে অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

অনুষ্ঠানে র‍্যাব ডিজি বলেন, সুন্দরবন ঘিরে যারা জীবিকা নির্বাহ করে তাদের কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছে দস্যুরা। দু’টি বাহিনী আজ আত্মসমর্পর্ণ করেছে। আমার জানা মতে, আরও চারটি বাহিনী তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। আশা করছি, তারাও খুব শিগগিরই আত্মসমর্পণ করবে।

সুন্দরবন থেকে দস্যু দমনের অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখানে ৮৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় দুই শতাধিক দস্যু গ্রেফতার, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার এবং দুই শতাধিকের উপরে দস্যু নিহত হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, আমাদের অত্যাধুনিক বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা যাবে না। অন্য যারা এখনও অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফিরে না এসে দস্যুতার দুঃসাহস দেখালে তাদের পরিণতি ভালো হবে না। আমরা কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করব না, তামাশা সহ্য করব না। আমাদের সামনে থেকে কেউ জান নিয়ে ফিরে যেতে পারবে না।

র‍্যাব ডিজি জানান, ফিরে আসা দস্যুদের মধ্যে যারা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় জড়িত নয়, তাদের প্রতি সহনশীল হতে আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করেছি। এর আগে যারা ফিরে এসেছে, ইতিমধ্যে অনেকেই জামিন নিয়ে সমাজের মূল ধারায় রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দস্যুদের সমাজে পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে। সমাজের অন্যদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তারা যাতে সমাজের মূল ধারায় মিশতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে দস্যুদের হাতে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করার বিষয়টিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান বেনজীর আহমেদ।

এর আগে প্রথমে বাহিনী প্রধান আবদুল বারেক তালুকদার শান্তর নেতৃত্বে তার দলের ১০ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র তুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ঘোষণা দেন। এরপর আলম তার বাহিনীর চার সদস্যকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের মংলায়। এ সময় জলদস্যুরা ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক হাজার ৮০০ রাউন্ড গুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে জমা দেন।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ