বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

hasina-550x428দুস্থদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দেশজুড়ে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবার এ কর্মসূচির সুবিধা পাবে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মসূচি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দরিদ্র মানুষকে ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়ানোর অঙ্গীকার পূরণ করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে এর সূচনা হতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবার ১০ টাকা কেজিতে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে। কুড়িগ্রামে কর্মসূচির আওতায় চাল পাবে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭৯টি পরিবার।
এছাড়া এখন থেকে কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচিতে খাদ্য শস্যের বদলে নগত অর্থ দেয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের নানা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে বিস্তর দুর্নীতি হয় বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে।
দুর্নীতি বিষযোগ সংস্থা ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলছে, যাদের হাতে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে তারা অনেক সময় বরাদ্ধকৃত খাদ্য শস্য আত্মসাৎ করেন।
এমতাবস্থায় খাদ্যশস্যের বদলে যদি নদগত অর্থ প্রদানের প্রচালন করা হয় তার ফলাফল কি হতে পারে? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, উদ্দেশ্য হয়তো ইতিবাচক থাকতে পারে যদিও এই বিষয়ে আমাদের কাছে পরিষ্কার না যে কিসের ওপরে ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্তটি হলো। তারপরেও মোটা দাগে বলা যায় যে, সামাজিক এই রকমের অনেক প্রকল্পের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আছে। কিন্তু তা সম্পর্কে পরিমাণগত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। তবে ব্যাপকভাবে যে দুর্নীতি হয় সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এবং এই দুর্নীতি সম্পর্কে গণমাধ্যমসহ সাধারণ মানুষ সবাই জানে। এছাড়া এই বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ আছে।
সরাকারের বেশ কয়েকটি সামাজি প্রকল্প রয়েছে এর মধ্যে কোনটাতে আপনারা দুর্নীতির পরিমাণটা বেশি দেখছেন? জবাবে তিনি বলেন, ঠিক তুলনামূলকভাবে বলাটা কঠিন হবে। তবে একটা বিষয়ে পরিষ্কার যে সাম্প্রতিক কালে একাধিকবার সরকারে মধ্যেও এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া এই বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলাপ হচ্ছে।
কিন্তু এই দুর্নীতির সাথে কারা জড়িত? জবাবে তিনি বলেন, জনক্যাণমূলক এমন প্রকল্পে প্রকল্পভিত্তিক দুর্নীতি হয় এবং ক্ষমতা দিয়ে যে যার মত ফায়দা হাসিল করে নেয়।
এক্ষেত্রে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বা নেয়ার কি সুযোগ আছে? আপনারা কি কোনো নমুনা দেখেছেন? উত্তরে তিনি বলেন, সুযোগ তো অবশ্যই আছে এবং প্রয়োজনীয়তাও আছে। কিন্তু আমরা বিরল এই শাস্তি দেওয়ার নমুনাটা দেখিনি। যার ফলে দুর্নীতির পরিমাণ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। অন্য দিকে এটার কারণে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হতেও দেখা গেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত