,

১৩ জঙ্গির লাশ সরাতে পুলিশকে ঢামেক’র চিঠি

DMC_main+gateনিউজ ডেস্ক : এক মাসের অধিক সময় মর্গে পড়ে থাকা ১৩ জঙ্গির লাশ নিয়ে বিপাকে পড়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ। মূলত ঢামেক মর্গে মরদেহ সংরক্ষণের আটটি ফ্রিজ বিকল হওয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। তাই এ অবস্থায় জঙ্গিদের লাশ সরিয়ে নিতে ১ সেপ্টেম্বর পুলিশকে চিঠি দিয়েছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ।

তবে চিঠি দিলেও এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত ঢামেক।

জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল ফরেনসিক বিভাগের মর্গে মরদেহ সংরক্ষণে ২০টি ফ্রিজ রয়েছে। ওই ২০টির মধ্যে ৮টিই বিকল অবস্থায় রয়েছে। সচল ১২টি ফ্রিজ দিয়ে কাজ চলছে। সম্প্রতি সময়ে নিহত ১৩ জঙ্গির লাশও এই ঢামেক মর্গের ফ্রিজে রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু লাশ ঢামেক হাসপাতালে আসছে এবং আগেরও কিছু লাশ রয়েছে। ফলে নতুন কোনো মরদেহ আসলে তা সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাজধানীর কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে নিহত ৯ জঙ্গির লাশ পড়ে আছে ৪১ দিন ধরে। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে নারায়ণগঞ্জে নিহত তিন এবং রূপনগরে নিহত আরও এক জঙ্গির লাশ। অন্যদিকে প্রতিদিনই ঢামেক মর্গে অন্তত পাঁচটি মৃতদেহ রাখতে হয় নানা ঘটনার সূত্রে। এতে ফ্রিজে স্থান সংকুলান হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. ইসমাইল খান বলেন, ঢামেকে যে কয়টি বিভাগ আছে এর মধ্যে ফরেনসিক বিভাগটি অন্যতম। এর অধীনে রয়েছে মর্গ। রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে এখানে পোষ্টমর্টেম করা হয়। আগের তুলনায় মর্গে ফ্রিজের সংখ্যা বেড়েছে। এখন ২০টি মরদেহ রাথতে পারি। কিন্তু কিছু দিন যাবত ৮টি ফ্রিজ বিকল হয়ে রয়েছে। মাত্র ১২টি দিয়ে কাজ চলছে। সাম্প্রতি সময়ে অভিযানে নিহত ১৩ জঙ্গির লাশই ঢামেক মর্গে ফ্রিজে আছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই কিছু লাশ ঢামেক আসছে। সেই লাশগুলো রাখতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ১৩ জঙ্গি লাশের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ জানার জন্য গত সপ্তাহে ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি দিয়েছি। তবে এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

এদিকে ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ফ্রিজ স্বল্পতার কারণে লাশ সংরক্ষণে সংকট দেখা দিয়েছে। এ জন্য ঢামেক কর্তৃপক্ষ পুলিশকে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু বিষয়টির এখনও সুরাহা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই থেকে কল্যাণপুরের জাহাজ বাড়ির ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অপারেশন স্টর্ম-২৬ নামে অভিযান চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ জঙ্গি নিহত হয়। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের লাশ সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে আরও এক ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অপারেশন হিট স্ট্রং-২৭ নামে আরেকটি অভিযানে নিহত হয় গুলশান শোলাকিয়া হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জঙ্গি তামিম চৌধুরী ও তার সহযোগী মানিক এবং ইকবাল।
২ সেপ্টেম্বর মিরপুরে অপর অভিযানে জাহিদুল ওরফে মুরাদ নামে আরেক জঙ্গি নিহত হয়।দ্য রিপোর্ট

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে