,

মুরাদের আসল পরিচয় খুঁজছে পুলিশ

9880abe94abb5d822353d0219f262942-57c9bfe7b6cb6-2-550x309জেএমবির সামরিক প্রশিক্ষক মুরাদ ওরফে মেজর মুরাদ আদতে সেনাবাহিনীর কোনো মেজর ছিলেন না। মিরপুরে রূপনগরে পাঁচতলা ভবনের ওপরের তলায় স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে থাকতো সে। গত ১ জুলাই সে ওই বাসায় ওঠে। এরপর ২৮ তারিখে পরিবার নিয়ে চলে যায়।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘নব্য জেএমবিতে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় মুরাদকে মেজর মুরাদ নামে ডাকা হতো।’ প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই থেকে জানানো হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীতে মুরাদ নামে কোনও মেজর নেই।’ সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল মুরাদের আসল পরিচয় কি, সে কি কোনো সরকারি কর্মকর্তা ছিল। এসব প্রশ্নের জবাবে পুলিশ জানায়, তদন্ত চলছে। মুরাদের আসল পরিচয় বের হয়ে আসবে শীঘ্রই।
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় হামলার পরদিনই মিরপুরের রূপনগরে মেজর মুরাদকে ধরতে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সদস্যরা। সেদিন সে ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর শুক্রবার সে আবার ওই বাড়িতে আসলে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের নির্দেশ অনুযায়ী মুরাদ ফের ওই বাড়িতে আসলে বাড়িওয়ালা তা পুলিশকে জানান। শুক্রবার মুরাদ ঘরের মালপত্র নিতে আসে। এ সময় বাড়িওয়ালা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ আসলে মুরাদ তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে পুলিশের চার কর্মকর্তা আহত হন। পরে পুলিশের অভিযানে কথিত মেজর মুরাদ নিহত হয়।
মুরাদ ছিলেন গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড জঙ্গি তামিম চৌধুরীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। এ পর্যন্ত মুরাদের তিনটি নাম পাওয়া গেছে- মুরাদ, ওমর ও জাহাঙ্গীর। রুপনগরে পাঁচতলার ওই বাসায় দুইটি বেডরুম, ড্রয়িং রুম ও ডাইনিং রুম রয়েছে। বাসার ভেতরে খাট ও ডাইনিং টেবিল ছাড়াও ছিল দামি সোফাসেট। বাড়িতে একাধিক চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র পাওয়া গেছে। এছাড়া জিহাদি বই, একটি পিস্তল ও গুলির খোসা জব্দ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিনের সদস্যরা। নিহত জঙ্গি মুরাদের হাত থেকে একটি ছুরিও জব্দ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশ সম্প্রতি যে বাড়িতে অভিযান চালায় সেখানে মুরাদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রূপনগর আবাসিক এলাকার ৩৩ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর বাসায় প্রথমে অভিযান চালায় রূপনগর থানা পুলিশ। পরে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটি) ইউনিট ও ডিবি এ অভিযানে যোগ দেয়।
জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালনা করার সময় জঙ্গি মুরাদ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করতে করতে পালাতে থাকে। এ সময় সে পুলিশের চার সদস্যকে ছুরিকাঘাতে আহত করে। পরে পুলিশের গুলিতে সে নিহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা হলেন- রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শাহীন ফকির, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) সৈয়দ শহীদ আলম এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বোখারী।

এ জাতীয় আরও খবর

ড্রেজারের পাইপ ও পরিত্যক্ত সেতুতে বন্ধ নদীপথ, প্রতিমা পরিবহনে চরম ভোগান্তি

অটোরিকশা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে?

বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি

ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে

ডিমের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীর দাপট, জিম্মি খামারি-ভোক্তা

সবজির বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘অবশ্যই সম্ভব’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা ভারতবিরোধী না: আসিফ মাহমুদ