বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধ করা যাচ্ছে না কোচিং বাণিজ্য

 
নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্ধ করা যাচ্ছেনা কোচিং বাণিজ্য। একজন শিক্ষার্থীর পেছনে বছরে যে ব্যয় হয় তার ৩০ শতাংশ চলে যায় কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউটরদের কাছে। ১৮ শতাংশ খরচ হয় বই খাতা ও শিক্ষা-সরঞ্জামের পেছনে। মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবেই শিক্ষার্থীরা কোচিং করতে বাধ্য হয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

image_85759_0

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লাসে পাঠদানে শিক্ষকদের অবহেলা আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নেমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ঝুঁকছে কোচিংয়ের দিকে। এই সমস্যার রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিলেন শিক্ষকদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনার।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সন্তানদের কোচিং করাতে গিয়ে একদিকে যেমন অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হয় তেমনি অপচয় হয় সময়ের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক জরিপ বলছে,

এ ব্যাপারে শিক্ষাবিদ কায়কোবাদ মনে করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত স্কুল-কলেজগুলোকে গুণগত মান-সম্পন্ন করতে না পারা যাবে। ততদিন পর্যন্ত কোচিংগুলোর সাথে যুদ্ধ করে কোনো লাভ হবে না।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করবেন। তবে প্রতি বিষয়ের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় মাসিক ৩০০ টাকা, জেলা শহরে ২০০ টাকা, এবং উপজেলা বা স্থানীয় পর্যায়ে ১৫০ টাকা হারে ফি গ্রহণ করা যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত