,

দুদক রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে: জরিপ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ নয়। কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট এবং সকলের বিরুদ্ধে সমানভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিষয়টিকে বিরোধী দল বা ভিন্ন মতাদর্শের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এই সংস্থা।

download

রোববার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ উদ্যোগ : বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর পর্যালোচনা’- শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যদিও চেয়ারম্যান ও কমিশনারদেরকে আপাতভাবে একটি ভালো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়, তবুও প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ নয়। কেননা অন্যান্য দেশে এমন প্রতিষ্ঠানে কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি থেকে সার্চ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটি থেকে আসা নামগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়। এরপর সংসদে মতামতের ভিত্তিতে এই নিয়োগ দেয়া হয়।

কিন্তু বাংলাদেশের এ নিয়োগ অনেকটা গোপনেই হয়। একটি বাছাই কমিটির দ্বারা বাছাইকৃতদের নাম ও যোগ্যতা নিয়োগের আগে প্রকাশ করা হয় না- বলেও যোগ করেন তিনি।

দুদকের আরেকটি দুর্বলতা হচ্ছে কর্মীদের দক্ষতা। নতুন কর্মীদের তদন্ত সম্পর্কে বোঝার ঘাটতি রয়েছে এবং পুরনো কর্মীরা সবসময় দুর্নীতির নতুন ধরন (যেমন অর্থ পাচার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে দুর্নীতি) ও কৌশল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এসময় তদন্ত, প্রতিরোধ, উন্নয়ন ও মামলা পরিচালনার জন্য দুদকে আরও বেশি বরাদ্দ দেয়ার পরামর্শ দেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।

এ ব্যাপারে টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপার্সন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, দুদকে অর্থায়ন কমের কারণে অনেক কাজেরই ঘাটতি থেকে যায়। আবার কখনো কখনো দুর্নীতি প্রতিরোধমূলক কাজে অন্য সহায়তামূলক সংগঠনের সাহায্য নিতে হয়, যা একটা স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো নয়।

গবেষণায় প্রতিবেদনে অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে বলা হয়েছে- দুদকের মামলায় সাজা হওয়ার গড় হার ৪০ শতাংশের কম। একটি কার্যকর দুদকের জন্য এই হার আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন।

এছাড়া দুদকের জবাবদিহিতা ও তদারকির ক্ষেত্রে প্রধান উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে বাহ্যিক কোনো তদারকির ব্যবস্থা না থাকা।
গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন টিআইবি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাহজাদা এম আকরাম ও শাম্মী লায়লা ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ওই প্রতিবেদনের প্রধান গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সালাহউদ্দিন এম আমিনুজ্জামান ও টিআইবি’র উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের প্রমুখ।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে