,

জেনে নিন ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণগুলো সম্পর্কে

Beautiful stressed business woman in eyeglasses suffering from pস্বাস্থ্য ডেস্ক : সাধারণত ৫০ বছর বয়সে একজন নারী ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এর চেয়ে কম বয়সের নারীরও এই ক্যান্সার হতে পারে। প্রতিটা নারীর তলপেটে জরায়ুর উভয় পাশে দুটি ডিম্বাশয় বা ওভারি থাকে। প্রতিমাসে এই ডিম্বাশয় দুটির যেকোন একটি থেকে একটি ডিম উৎপন্ন হয়। এছাড়াও ওভারি থেকে প্রধান নারী হরমোন- ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলো নিয়মিত মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণসহ শরীরের আরো অনেক কাজ করে থাকে।

ওভারিয়ান ক্যান্সার বিভিন্ন ধরণের হয় যেমন- এপিথেলিয়াল ওভারিয়ান ক্যান্সার, জারম সেল ওভারিয়ান ক্যান্সার এবং স্ট্রমাল ওভারিয়ান ক্যান্সার। ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। যদি কারো ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার পারিবারিক ইতিহাস থাকে তাহলে তার ঝুঁকি অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। কিছু ক্ষেত্রে ওভারিয়ান ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব যদি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়। কিন্তু এর বিস্তার বেশি হলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম। ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

১। পোস্ট মেনোপোজাল ব্লিডিং
মাসিকের সমস্যার সাথে ওভারিয়ান ক্যান্সারের কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু মেনোপোজ হওয়ার পরে যদি ব্লিডিং হয় তাহলে তা ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশ করে- বলেন স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ ডা. নুপুর গুপ্ত।

২। পেট ফোলা
ওভারিয়ান ক্যান্সার হলে ওভারিতে টিউমার সৃষ্টি হতে পারে এবং এই টিউমার থেকে হরমোন নিঃসরণ হয় যা শরীরের বিভিন্ন কোষের প্যারিটোনিয়াল লাইনিং এ কাজ করে। এতে কোষগুলো বিরক্ত হয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তরল উৎপন্ন করে যা পাকস্থলীতে জমা হতে থাকে। এর ফলেই পেট ফুলে উঠে।

৩। ব্লটিং
পেটে তরল জমা হওয়ার কারণে অন্ত্রের কাজে পরিবর্তন দেখা দেয়। ফলে পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দেয়। যদি আপনার পেট ফাঁপার সমস্যা ঘন ঘন দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

৪। ক্ষুধামন্দা
হরমোনের পরিবর্তন ও অন্ত্রের সমস্যার কারণে আপনার ক্ষুধা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। এই অবস্থা দীর্ঘদিন থাকলে অ্যানোরেক্সিয়া বা ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।

৫। ওজন কমা
যদি ৬ মাসের মধ্যে আপনার ওজন অনেক বেশি কমে যায় তাহলে তা হতে পারে ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণ। দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করুন।

৬। পরিপাকের সমস্যা
কিছু ক্ষেত্রে ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্তদের গ্যাস্ট্রো-ইন্টেস্টাইনাল প্রবলেম যেমন- ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে দেখা যায়। এই সমসাগুলো কিছুদিন বিরতি দিয়ে আবার দেখা দিলে বুঝতে হবে যে পাকস্থিলিতে কোন সমস্যা আছে। ক্যান্সার কোষ যদি ডিম্বাশয় থেকে পেটে চলে আসে তাহলে এমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

৭। ক্যাসেক্সিয়া
পেশীর ক্ষয়ের ফলে মানুষ যখন অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে তখন তাকে ক্যাসেক্সিয়া বলে। এই সমস্যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর হাড্ডিসার হয়ে যায় এবং তার শরীরে কোন ফ্যাট বা প্রোটিন নাই বলে প্রতীয়মান হয়। এর ফলে আক্রান্ত নারীর শুকনো শরীরে পেট ফোলা দেখে তাকে গর্ভবতী মনে হয় যা ওভারিয়ান ক্যান্সারের একটি প্রধান লক্ষণ।

এই সমস্যাগুলোর পাশাপাশি ক্লান্তি, বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া করা, পেটে ও পিঠে ব্যথা, ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা হওয়া এবং মাসিক অনিয়মিত হওয়ার মত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তবে এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই ওভারিয়ান ক্যান্সার হবে এমন কোন কথা নেই। কারণ এই সমস্যাগুলো অন্য রোগের ও উপসর্গ হতে পারে। তাই ডাক্তারের সাথে কথা বলে ও পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা প্রয়োজন।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে