বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ দিন পরেই বন্ধ হতে পারে সিটিসেল

 
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। আগামী ১৬ দিন পরে অর্থাৎ ১৬ আগস্টের পরে যেকোন সময়ে সিটিসেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এরকম ইঙ্গিতই দিয়েছে বিটিআরসি। সেজন্য আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে সিটিসেলের সকল গ্রাহককে বিকল্প নাম্বার নেওয়ার জন্য সার্কুলার দিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

index_136920

দিনক্ষণ ঠিক করে রোববার বিটিআরসি এই সার্কুলার জারি করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, টানা লোকসানে থাকায় সরকারের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় বন্ধ হতে চলছে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সিটিসেলের কাছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা পাবে বিটিআরসি। এছাড়াও কয়েকটি ব্যাংক ঋণ বাবদ নেওয়া এক হাজার কোটির টাকার উপরে পবে সিটিসেলের কাছ। বারবার সময় চেয়েও এই অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ বিটিএস টাওয়ার(সিটিসেলের মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার) বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি রয়েছে মাত্র ১৭৫টি টাওয়ার।

বিদ্যুৎ ও রক্ষনা-বেক্ষণ বিল পরিশোধ না করায় এই টওয়ারগুলো বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম ছাড়া আর কেথাও সিটিসেলের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না বলেই জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, বকেয়া অর্থ আদায়ে একাধিকবার সময় চেয়েও অর্থ পরিশোধ করেনি প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড(সিটিসেল)। এজন্য বিটিআরসির পক্ষ থেকে সর্বশেষ আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই নোটিসের কোন উত্তর দেয়নি সিটিসেল। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিটিআরসি জানিয়ে দিয়েছে বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করে লাইসেন্স নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ করেছে সিটিসেলস। সেজন্য যেকোন সময়ে সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল ও সেবা বন্ধ করে দিতে পারে বিটিআরসি।

এজন্য গ্রাহকদের মাত্র ষোল দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের বতর্মান গ্রাহক সংখ্যা ৭ লাখ। অর্থ সংকটে সারাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ৮৭৬টি টাওয়ারের (বিটিএস) মধ্যে প্রায় ৭০০টি বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি ১৭৬টি টাওয়ারও বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

গত ১০ জুলাই থেকে বন্ধ রয়েছে সিটিসেলের ওয়েবসাইট। ৬ জুলাইয়ের পর থেকে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে তারা কোন আপডেট দেয়নি।

প্রতিষ্ঠানটির কাছে বিভিন্ন ব্যাংক ও বিটিআরসি প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকার মতো পাবে। অফিস ভাড়া দিতে না পারায় দেশের অধিকাংশ গ্রাহক সেবাকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটিসেলের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লাইসেন্স ঠিক রাখতে ন্যুনতম বিটিএস সংখ্যা চালু রেখেই ব্যবসা চালিয়ে রাখার চিন্তা করছে বর্তমান ম্যানেজমেন্ট। সরকারের পাওনা শোধ করার জন্য বিটিআরসির সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন তারা।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে বিটিআরসি থেকে মোবাইল অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড(সিটিসেল)।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত