বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি নেতারা ভারতে বসে কী করছেন ?

jongi-4টাইমস অব ইন্ডিয়া খবরে প্রকাশ, গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর অন্তত পাঁচ সদস্য ভারতে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, ওই সব জঙ্গি নেতারা ভারতে বসে করছে কি? একদিন আগেও ভারতের একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক কিশলয় ভট্টাচার্য বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের কাছে নিজেদের স্বার্থে যা যা চেয়েছে তার সবই দিয়েছে দেশটি, বিনিময়ে ভারতের অনেক কিছু দেয়ার থাকলেও তা দিতে পারছে না তার দেশ।
আমরা সবাই জানি, মাদকদ্রব্য থেকে শুরু করে ছোট অস্ত্র ও বিস্ফোরক দীর্ঘদিন ধরেই ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে। তাহলে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বলছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়তে বাংলাদেশের সরকারের পাশে তিনি আছেন তার সারবত্তা কি?
বাংলাদেশ বারবার বলে আসছে ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসী কর্মকা- চালাতে এদেশের মাটি ব্যবহার হতে দেবে না। বাংলাদেশ কথা রেখেছে। কিন্তু ভারতের হাতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সেই পাঁচ সন্দেহভাজনের নামের তালিকা ভারত সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সে দেশে ইতোমধ্যে গ্রেফতার হওয়া সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্য নুরুল হক ম-ল ওরফে নাইমকে ফেরত দেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলশান হামলার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়ার মতো ভারতীয় রাজ্যগুলোকে সতর্কতায় রাখা হয়েছে।
সে সতর্কতার মধ্যেই এবার বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ সন্দেহভাজন জঙ্গির তালিকা ভারতকে দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) যে ৬৮ জন নিখোঁজের তালিকা প্রকাশ করেছে তার মধ্যে ওই পাঁচজনের নাম রয়েছে। বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী, তারা সবাই জেএমবি’র কর্মী। তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ।
পাঁচ সন্দেহভাজনের মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক তামিম চৌধুরীও রয়েছেন। তাকে গুলশান হামলার হোতা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠী এবং আইএস-এর সঙ্গে তার সংযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। খবরে বলা হয়, তামিম চৌধুরী আবু ইব্রাহিম আল হানিফ চৌধুরী নামেও পরিচিত।
২০১৬ সালে আইএসের কথিত প্রপাগান্ডা ম্যাগাজিন দাবিক-এ তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল। কানাডাবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিক ২০১৩ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়ার অপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সে দেশে গ্রেফতার সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্য নুরুল হক ম-ল ওরফে নাইমকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর কলকাতা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)।
বাংলাদেশের সক্রিয় জঙ্গি গ্রুপগুলোর হোতারা ভারতে কিভাবে থাকছেন। বাংলাদেশে নাশকতার ছক আঁকছেন? তারা কি ধরা ছোঁয়ার বাইরে ? ভারতে তাদের আশ্রয় পাওয়াকে গভীর সন্দেহের চোখে দেখলে কি তা কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে? বাংলাদেশের জঙ্গি নেতারা ভারতে থাকে কেন?

 

আমাদের সময়.কম

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত