,

মানুষের মনে শান্তি নেই : রওশন এরশাদ

roushonসংসদ প্রতিবেদক : বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘সবমিলে সারাদেশে যা ঘটছে, মানুষের মনে শান্তি নেই। সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি জাতির জনকের কন্যা। আপনিই পারবেন দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে। এসব ঘটনা বন্ধে আপনাকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার (২৭ জুলাই) দশম জাতীয় সংসদের একাদশতম (বাজেট) অধিবেশনের সমাপনি বক্তব্যে রওশন এরশাদ এসব কথা বলেন।
সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, দেশে কোনো আইএস নেই। দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই জঙ্গি হামলা। গুলশানে হামলার লক্ষ্যই ছিল বিদেশিদের হত্যা করা। সেখানে ৭ জন জাপানি ও ৯ জন ইতালিয়ানকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগে মনে করা হতো মাদরাসা ছাত্ররা সন্ত্রাসী-জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। এখন দেখা গেল উচ্চবিত্ত পরিবারের উচ্চশিক্ষিত ছেলেরাও এসবে জড়িত হচ্ছে। এটা দুঃখজনক।

কল্যাণপুরে সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে দমনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসা করে রওশন এরশাদ বলেন, উচ্চশিক্ষিত বিত্তবানদের ছেলেরা জঙ্গি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। তাই তারা কোথায় যায়, কি করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। জোর করে নয়, বুঝিয়ে, আদর দিয়ে তাদের ওই বিপথ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগে খেলাধুলা, সঙ্গীত ও সাহিত্য চর্চা হতো। এখন নেই বলা চলে। এজন্য ছেলে মেয়েরা জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি খেলাধুলা ও সাহিত্য চর্চা চালু হয় তাহলে সবাই আবার সেদিকে ফিরে আসবে আশা করি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ঈদের সময় আমাদের কাপড়, আমাদের কোনো কিছুই বিক্রি হলো না। সবই বিদেশি বিক্রি হলো। তাহলে তো আমাদের টাকা বিদেশি চলে গেল।
রওশন বলেন, দেশে যদি বিনিয়োগের পরিবেশ না থাকে তাহলে কি কেউ বিনিয়োগ করবে-করবে না। বিনিয়োগের জন্য পরিবেশ লাগবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস লাগবে। বিদ্যুৎ খাতটা এমন অবস্থায় যে বলা যায় না। কৃষিতে লোডশেডিং হয়। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনতে হলে অবকাঠামো উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখানে আমাদের কমিউনিক্যাশন মিনিস্টার আছেন। প্রতিদিন দেখা যায়, উনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। কিন্তু রাস্তার কাজ হচ্ছে নিম্নমানের। টেকসই মানের কাজ হচ্ছে না। এক কিলোমিটার ফ্লাইওভারে কলকাতায় ৮০ কোটি টাকা, জাপানে ৮০-৮৫, মালয়েশিয়ায় ৮৮ কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। আর সেখানে আমাদের দেশে পার কিলোমিটার ফ্লাইওভারে কত কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। রাজধানীর মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারে প্রতি কিলোমিটারে ১৪৫ কোটি টাকা এবং মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে ১৮০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এতো বেশি খরচ হবে কেন। এর চেয়ে মেট্রোরেল নির্মাণ করলেই তো ভাল হতো।

তিনি বলেন, সম্প্রতি দেশে দুটি রক্তক্ষয়ী হামলা হলো। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে গর্হিত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর চেয়ে কলঙ্কজনক ঘটনা আর কি হতে পারে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বক্তব্য রাখেন।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে