,

মালয়েশিয়ায় জঙ্গি হবার হাতেখড়ি নিবরাসের!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : হামলা চালানোর আগেও বহুবার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁটিতে গিয়েছিলেন জঙ্গি নিবরাস ইসলাম; যিনি পরে সেখানে নিহত হন যৌথ বাহিনীর অভিযানে। আগে যতবার ওই রেস্তোরাঁয় গেছেন, বেশির ভাগ সময়ই সঙ্গে বন্ধু-বান্ধব থাকত। তাদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়া করে বাসায় ফিরতেন।

2016_07_03_03_29_49_1pibQKARRUMUG0JiPIqwOY51QfNfkV_original

শুধু আর্টিজানই নয়, গুলশান, বনানী, ধানমণ্ডি ও উত্তরা মডেল টাউনে আরো অনেক অভিজাত হোটেল-ক্যাফেতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল নিবরাসের। কিন্তু এসব নামি-দামি হোটেলগুলোতে তিনি কেন নিয়মিত যাতায়াত করতেন, তা স্বজনদের কাউকেও বলতেন না।কেউ জিজ্ঞেস করলে বলতেন, ওই সব স্থানে খাওয়া-দাওয়া করা তাঁর শখ। উত্তরা মডেল টাউনে বসবাসরত তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধব সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। নিবরাসের জঙ্গি হওয়ার কাহিনী শুনে তাঁর জানাশোনা মানুষ, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজন সবাই হতবাক। যে ছেলেটি ছিল সব সময় হাস্যরসিক, মিশুক এবং চটপটে। সে কী করে এমন হলো!

 

 

 

ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় পড়তে গিয়ে নিবরাস সম্পূর্ণ বদলে যায়। ছুটিতে ঢাকায় এলেও সব সময় মালয়েশিয়ায় তাঁর মন পড়ে থাকত। দিনের অধিকাংশ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলতেন, ‘পড়াশোনা নিয়ে আমি মালয়েশিয়ার বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছি।’ আসলে ফোনে নিবরাস অন্যসব কথাবার্তা বলতেন।

 

 

দেখতে সুদর্শন এবং স্মার্ট নিবরাস নামিদামি হোটেলে খেয়ে কখনো কখনো সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করত। কিছুদিন আগে আর্টিজান রেস্তোরাঁর একটি ছবি ফেসবুকে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে পরে সেটি সরিয়ে ফেলেন। ফেসবুকে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন তিনি। অনলাইনে তাঁর বন্ধু-বান্ধবও ছিল অনেক। কিন্তু তারা তাঁর ‘ভয়ংকর রূপ’ দেখতে পায়নি!

 

নিবরাস ধনী পরিবারের ছেলে বলে তাঁর অভিজাত হোটেলে যাতায়াত নিয়ে কেউ সন্দেহ করত না। পুরান ঢাকার ওয়ারী ও উত্তরা মডেল টাউনে তাঁদের একাধিক বাড়ি রয়েছে। আত্মীয়স্বজন সবাই উচ্চ পদে আসীন। তাঁরা সবাই নিবরাসকে স্নেহ করতেন। তিনি যখন যা চাইতেন, পরিবার থেকে তাই পেতেন। মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার বায়না নিজেই করেছিলেন।

পরিবারের অজান্তে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় এসে এ নৃশংস হামলায় অংশ নেন বলে খবর বেরিয়েছে। ছয় মাস ধরে মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল না বলেও জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, জঙ্গি নেতাদের নির্দেশে নিবরাস অভিজাত এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন মূলত বিদেশিদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিতে। এ জন্য তিনি নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করতেন। যাতে কেউ তাঁকে সন্দেহ করতে না পারে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগর সাধু সঙ্গের উদ্যোগে লঞ্চযোগে আনন্দ ভ্রমণ: নদীর বুকে ফিরে দেখা স্মৃতি, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির অনন্য আয়োজন

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা