,

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান

IMG_20160630_213618আমিরজাদা চৌধুরী : ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে জাকির হোসেন লিলু (৫২)আল-আমিন শাহিন (৩৪) নামে দুইজনকে আটক করা হয়ছে। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্হার সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ভাদুঘর এলাকার হৃদয়-রিফাত মঞ্জিলের দ্বিতীয় তলায় অপরাধীদের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে সন্ধায় তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালের ডাক্তারের জাল সার্টিফিকেট , সংবাদপএের নাম সহ খালি প্যাট, বিভিন্ন বিচাররকের জাল সই করা মামলার কাগজ।
জাকির হোসেন লিলুর বাড়ির ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বিজয়নগর উপজেলার পওন ইউনিয়নের ফুলবাড়ীয়া গ্রামে। সে দীর্ঘ দিন যাবৎত  বিজয়নগর এলাকায় মাদকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। ঐ এলাকার সুনাম ধন্য এক চেয়ারম্যানের আপন ছোট ভাই সে। লিলুর বিরুদ্ধে  খুনের মামলা ও রয়েছে বিজয় নগর থানায়।
এলাকার মাদকের সম্রাট হিসেবে রয়েছে তা ব্যাপক  পরিচিতি। ভৌগলিক কারণে বিজয় নগর ভারতের সীমান্ত বর্তী এলাকায় খুব কাছাকাছি হওয়ায় সে পুরো বিজয়নগরে মাদকের ব্যবসার অভয় আরণ্য গড়ে তুলেছে। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরে বিভিন্ন মাদক পয়েন্টে তার মাল বেচাকেনা হয়। তার বিরুদ্ধে রয়েছে বিজয়নগর থানায় ১০/১২ টি বিভিন্ন মামলা।গ্রেফতার হয়েছে একাধিক বার। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে অল্প দিনের মর্ধ্যেই  সে যাবিনে বেড়িয়ে এসে পড়েন। তখন লিলু আবার তার অপরাধের সমস্ত কার্যক্রম শুরু করেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের  সাথে তার রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক।
বিভিন্ন দপ্তরের সার্টিফিকেট জালিয়াতি তে সে বেশ পারদর্শী। এই কাজে তাকে  সহযোগিতা করেন তার সাথে গ্রেফতার হওয়া আল-আমিন শিপন। আর তাদের পুরো বাহিনীর নেতৃত্ব দেন লিলু নিজেই। তার অপরাধ কাজের সহযোগিতায় উঠে আসে আরো অনেকের নাম।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিজয় নগর এলাকার একজন আমাদের কে জানান, লিলু সমস্ত বিজয় নগরে বেশ দাপটের সাথেই মাদক, খুন -খারাপি, সার্টিফিকেট জালিয়াতি সহ অপরাধের মিনি ক্যাম্প গড়ে তুলেছে। আর তাকে এই কাজে সহযোগিতা করেছেন বিজয় নগর থানার  প্রাক্তন উর্ধতন এক অফিসার। তার সাথে লিলুর  অনৈতিক অর্থের সর্ম্পক ছিল  বেশ মোটা অংকের। সে তার অপরাধ কর্ম পরিচালনা করা জন্য বিজয়নগরে  বিভিন্ন জায়গায় মোটা অংকের টাকা মাসুয়ারা দিত। এলাকার দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টির মূল হোতা ছিল সে নিজেই।   লোকজন তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায়না। থাকে এক ভাষায় এলাকার গর্ড ফাদার বলা চলে।
এ ব্যাপারের ব্রাহ্মণবাড়ীয়া গোয়েন্দা পুলিশ  দপ্তরের অফিসার ইনচার্জ নবীর হোসেন আমাদের কে জানান,গোপন সংবাদের ভিওিতে আমি নিজেই এই অভিযান পরিচালনা করে  এই দুই জনকে ধরতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় খুন, মাদক, বিভিন্ন জালিয়াতি কর্মকান্ডের ১০/১২ টি মামলা রয়েছে। তাদের  কাজ থেকে আমি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য   পেয়েছি।  লিলু নিজেই বিজয়নগরে অপরাধের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এখন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা