,

কুমিরের মতো দেখতে মাছ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :ভারতের কলকাতার সুভাষ সরোবরে ধরা পড়লো অ্যালিগেটর গার নামে কুমির মতো দেখতে বিশাল আকৃতির একটি মাছ। মাছটি ধরা পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শিকারি এই মাছ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

 

2016_06_25_10_24_26_oj2YLHjA9fDldnqfJeXVLajV7Sdda1_original

শিবু মণ্ডল নামের স্থানীয় একজন মাছ শিকারী ছিপ দিয়ে সাড়ে তিন ফুট লম্বা এই মাছটি ধরেন দুমাস আগে। মাছটির আকৃতি কুমিরের মতো এবং ধারালো দাঁত রয়েছে। প্রায় আট ফুট পর্যন্ত লম্বা হওয়া এই মাছটি কখনো কখনো মানুষকে আক্রমণ করে থাকে। জীববৈচিত্র্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই মাছটি সরোবরের বাকি সব মাছকে খেয়ে ফেলার সক্ষমতা রাখে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই মাছ পাওয়া যাওয়ার কথা কিন্তু বর্তমানে শুধুমাত্র উত্তর ও মধ্য আমেরিকাতে এই মাছ দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে এই মাছের সাতটি প্রজাতি রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতি অ্যালিগেটর গার।

পশ্চিমবঙ্গ মাছ শিকারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের শিবু মণ্ডল জানান, তিনি নিয়মিত কলকাতা বেলিঘাটার সুভাষ সরোবরে মাছ শিকার করে থাকেন। তিনি যখন ছিপ দিয়ে মাছটি ধরছিলেন তখন এটি তাকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছিল এবং তাঁর আঙ্গুলে কামড় দেয়। পাঁচ কেজি ওজনের মাছটি তার বন্ধু রান্না করেছেন। কিছুটা অংশ শুঁটকি করে রেখেছেন। এটির স্বাদ হালকা টক। তিনি আরো বলেন, মাছটি এতই শক্ত ছিল যে বঁটি বা ছুরি দিয়ে কাটা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে এটিকে কুড়াল দিয়ে কাটতে হয়েছে।

জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ ও তেলেঙ্গানা রাজ্যের জীববৈচিত্র্য বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য রাজীব ম্যাথিউ বলেন, ‘এটি পুরোপুরি মাংসাশী প্রাণী। এটি শুধু অন্য মাছ মেরে ফেলে না, মানুষের ওপর আক্রমণও করে। এই মাছের ডিম বিষাক্ত হয়। এদের আক্রমণাত্মক আচরণে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।’

২০১৫ সালে মুম্বাইয়ের দাদারে একটি কুয়ার মধ্যে অ্যালিগেটর গার পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই শিকারি মাছের হুমকি মোকাবেলার আহ্বান জানিয়েছে। ভারতের প্রাণিবিদ্যা বিষয়ক গবেষক কেসি গোপী বলেন, ‘কলকাতায় প্রথমবারের মতো এই প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে। যে জলাশয়ে মাছটি ধরা পড়েছে সেখানে একটি দল পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পানিতে তাদের বংশবৃদ্ধি হয়েছে কিনা তা আমরা পরীক্ষা করে দেখব।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় অ্যাকুরিয়ামে সাজানোর জন্য অনেকে বিদেশ থেকে বিরল প্রজাতির মাছ নিয়ে আসে। কিন্তু যখন এটি বড় হতে থাকে তখন অন্য মাছগুলোকে মেরে ফেলে। তখন তারা স্থানীয় জলাশয়ে সেই মাছ ছেড়ে দেন। ফলে মাঝে মধ্যে বিরল প্রজাতির মাছ জলাশয়ে দেখতে পাওয়া যায়।
সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা