বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফের বন্দুকযুদ্ধে ৮ মামলার ডাকাত নিহত, স্ত্রীর দাবী নিহত ব্যক্তি অন্ধ

fight_bg2015052920494120151021081919ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ গত সোমবার গভীর রাতে ফের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বন্দুক যুদ্ধে আব্দুস সাত্তার মিয়া (৩৪) নামে যুবকের নিহত হয়েছে। গত ১ সপ্তাহে সরাইলে ২টি বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ২জন নিহত হয়েছে। সরাইল থানা পুলিশ দাবী করেছেন, নিহত সাত্তার আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের এসআইসহ ৩জন আহত হওয়ার কথা বললেও জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, আহত হবার খবর তাঁর জানা নেই। এদিকে গতকাল দুপুর ১টার সময় সদর হাসপাতালে নিহতের স্ত্রী রিনা আক্তার (২৫) দাবী করেন, তার স্বামী অন্ধ ছিল। রিনা আক্তার বলেন, ২ বছর পূর্বে সিলেটের কুলাউড়ায় আমার স্বামীকে ওই এলাকার লোকজন চোখে চুন দিয়ে দেয়। এরপর থেকে একটি চোখ অন্ধ ও অন্য চোখ দিয়ে ঝাপসা দেখতে পায়। এরপর থেকে সে বাড়ি থেকে তেমন একটা বের হতো না। কাপড় সেলাইয়ের কাজ করে স্বামী ও ৩ সন্তানের ভোরন পোষন করে আসছেন। গত রবিবার বিকেলে সরাইল থানার ৮/১০জন পুলিশ বাড়িতে গিয়ে আমার স্বামী ও আমাকে মারধর করে। ব্যাপক মারধরের কারনে ডান হাতের তালু ফেটে যায়। পরে হাসপাতালে গিয়ে সেলাই করাই। গত মঙ্গলবার মানুষের কাছে জানতে পারি আমার স্বামী বন্দুক যুদ্ধে মারা গেছে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার বিকেলে রসুলপুর গ্রামের রিফিউজি পাড়া থেকে পুলিশ আব্দুস সাত্তার মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরে রাতে বেশ কয়েকটি জায়গায় তাকে নিয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। রাত ১টার সময় তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ রসুলপুর কবরস্থান এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে যায়। এসময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা সাত্তারের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ করে ২০/২৫ গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও আত্ম রক্ষার্থে পাল্টা ৮ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বন্দুক যুদ্ধের সময় সাত্তার গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তবে সাত্তারের সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বন্দুক যুদ্ধের সময় পুলিশের এসআই রাকিবসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি ও ৬টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা জানান, নিহত সাত্তারের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ৮টি মামলা রয়েছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে রসুলপুর গ্রামের রিফিউজিপাড়ার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।
উলে¬¬খ্য, গত ২৬ মে বৃহষ্পতিবার জেলার বিজয়নগরে শশই নামক স্থানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মহব্বত আলী (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়। পুলিশের দাবী নিহত যুবক আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সদস্য। গত ৭ জুন জেলার নাসিরনগরে বন্দুকযুদ্ধে রুবেল মিয়া (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত যুবক ডাকাত দলের সর্দার। ১৫জুন মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলার সরাইলে বন্দুকযুদ্ধে জীবন মিয়া (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবী সে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত।

 

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত