,

কারাগারে বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার তিনগুণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

kamal jsদেশের অধিকাংশ কারাগারে বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার তিনগুণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।রোববার জাতীয় সংসদে মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের (খুলনা-২) এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার কারাগারে অব্যবস্থাপনা দূর ও সেবার মান বৃদ্ধি করতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে। বন্দি আবাসন সংকট নিরসনে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কারাগার পুনঃনির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ (মহিলা কারাগার), ফেনী, মাদারীপুর, পিরোজপুর, কিশোরগঞ্জ, সিলেট ও খুলনায় কারাগার নির্মাণ কাজ চলছে।’

ময়মনসিংহ কারাগার পুনঃনির্মাণ কাজ সহসাই শুরু হবে। এছাড়া কুমিল্লা, যশোর, রংপুর, ফরিদপুর, পাবনা কারাগারও পুনঃনির্মাণে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারি দলের সদস্য বেগম ওয়াসিকা আয়শা খানের এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এর ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি লজিস্টিকস সাপোর্টসহ অন্যান্য পুলিশী সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে পুলিশ বাহিনীকে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এলাকায় মসজিদ ও মাদ্রাসাসমূহে বিশেষ দিনে ইমাম এবং শিক্ষকদের মাধ্যমে জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলার আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা ও জনগণের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশের টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। জেলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মাদক উদ্ধার বা মূলতবী ওয়ারেন্ট তামিল বা তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এর জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানের উপস্থিত বক্তা বা নেতৃবৃন্দগণ কর্তৃক সন্ত্রাস বিরোধী কর্মকান্ড সম্পর্কে বক্তব্য প্রদানের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এছাড়া প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি স্থাপনের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ/প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে অপরাধীদের সনাক্ত করা এবং গ্রেফতারের লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর (সিলেট-৩) এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ৪৪২৭ কি.মি. সীমান্তের মধ্যে ৪১৫৬ কি.মি. ভারতের সঙ্গে এবং ২৭১ কি.মি. মিয়ারমারের সঙ্গে। তবে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা চিহ্ণিতকরণ নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।’

ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে দল বা সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করলে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে বিবেচিত হবে।

দেশের প্রচলিত আইনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিচার চলতে পারে। তবে আপাতত: বিশেষ কোনো আইন করার প্রয়োজন নেই বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা