,

থাইল্যান্ডের ‘বাঘ মন্দির’ থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৭টি বাঘ

 

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : থাইল্যান্ডের একটি বৌদ্ধ মন্দির থেকে ১৩৭টি বাঘ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। মন্দিরের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী পাচার এবং নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।থাইল্যান্ডের কাঞ্চনবুড়ি প্রদেশের এই মন্দিরের বাঘ সরানোর কাজ গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। মোট ১৩৭টি বাঘের মধ্যে ৩টিকে ইতিমধ্যে সরানো হয়েছে। সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে এক হাজার কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।

2016_05_31_18_38_03_66VrL7ji9LPRNh1l7sQmSWYCr2uSDm_original

 

মন্দিরের সন্ন্যাসীরা প্রথমে প্রাণী নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বাঘ সরানোর কাজে বাধা দেন। কিন্তু পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে দমে যান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাঘগুলোকে বন্য প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।থাইল্যান্ডের ‘ওয়াত ফা লুং তা’ নামের এই বাঘ মন্দির পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। অনেক আগে থেকেই কর্তৃপক্ষ মন্দিরের বাঘগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসলেও মন্দির তাতে বাধা দিয়েছে।

 

 

দর্শনার্থীরা মন্দিরে গিয়ে বাঘগুলোকে খাওয়াতে পারতো এবং অর্থের বিনিময়ে ছবি তুলতে পারতো। যদিও দর্শনার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা ছিল।থাই ন্যাশনাল পার্ক বিভাগের উপ-পরিচালক বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, আগে আমরা মন্দিরের সাহায্য চেয়েছি, কিন্তু তারা পাত্তা দেয়নি। কিন্তু এবার আমাদের কাছে আদালতের নির্দেশ রয়েছে।

 

বিতর্কিত এই বাঘ মন্দিরের সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে বাঘের প্রজনন এবং বাঘ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৫ সালে ঐ মন্দিরে অভিযান চালিয়ে কর্তৃপক্ষ অনুমতিবিহীন শিয়াল, হর্নবিল এবং এশিয় ভালুকের জব্দ করেছিল।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে