,

অ্যাপলের সেই বিস্মৃত প্রজেক্টই আজকের ভিআর প্রযুক্তি

161229john-sculleyগুগল ও ফেসবকু যখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে, তারও কয়েক বছর আগেই ভিআর পণ্য বাজারে আনে অ্যাপল। এর নাম কুইকটাইম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কুইকটাইম ভিআর।

এটা অ্যাপলের ইতিহাসের অদ্ভুত প্রজেক্টের একটি। প্রায়ত স্টিভ জবস যখন ‘নেক্সট’ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, তখন এর কাজ শুরু হয়। ১৯৮৩-১৯৯৩ পর্যন্ত অ্যাপলের সিইও ছিলেন জন স্কালি। তিনি জানান, কুইকটাইম ভিডিটও যখন বাজারে এলো, তখন তা ভিডিও ছিল না, স্থির ছবি ছিল। এতে স্থির ছবির ৩৬০ ডিগ্রি কোণে দেখাতো। তখন এটিই ছিল দারুণ এক বিষয়। কাজেই এটি রোমাঞ্চকর স্কাইডাইভিংয়ের ভিডিওর মতো ছিল না।

তবে এটাই ছিল সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে। কুইকটাইম ভিআর সেই ডিজাইনের তৈরি হয়েছিল যেভাবে বর্তমানে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখানো হয়। সেই সময় এটা ছিল জাদুর মতো। এখন যেমন জাদে দেখায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট। কেবল মাউস ঘুরিয়েই ব্যব হারকারীরা ভার্চুয়াল দুনিয়া দেখতে পারতেন। আজ ইউটিউবে এ ধরনের অহরহ ভিডিও দেখানো হয়।

নব্বুইয়ের দশকে কুইকটাইম ভিআর নিয়ে কাজ শুরু করে অ্যাপলের হিউম্যান ইন্টারফেস গ্রুপ। তখন ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা এখনকার মনো ছিল না। গুগলের জাম্পের মতো ৩৬০-ডিগ্রি ক্যামেরাও ছিল না।

সমাধান করতে বিভিন্ন কোণে স্থির চিত্র ধারণ করে তা জুড়ে দেওয়া হয়। এদের এক সঙ্গে মিলিয়ে কুইকটাইম প্যানারমা তৈরি করা হয়। এটা ছিল ইমেল ফাইল ফরমেট।

ওই প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড্যান ও’সুলিভান। জানান, এ কাজটি আমি করেছিলাম একটি ক্যামেরা দিয়ে। তবে ছবিগুলো তোলার পর তাদের জুড়তে অনেকগুলো কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়েছিল। ছবিগুলোকে জুড়ে দেওয়ার কাজটি দারুণ জটিল ও কঠিন।

১৯৯৫ সালে কুইকটাইম ভিআর যখন বাজারে আসে তখন তা বাজারের একমাত্র আকর্ষণ ছিল। ১৯৯১ সালে অ্যাপলের হিউম্যান ইন্টারফেস ল্যাবে এ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। যারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে চান, তারাই এতে যুক্ত হয়েছিলেন।

কুইকটাইম ভিআর দলে ছিলেন এরিক চেন। তিনি ১৯৯৫ সালে এটি বাজারে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। এর মাধ্যমেই ছবিগুলোকে এক করার প্রযুক্তি গড়ে ওঠে। প্যানারমা টেকনলজির দেখা পায় মানুষ।

১৯৯৫ সালে এনবিসি এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পর তা মানুষের নজরে পড়ে। ওই বছর ওজে সিম্পসন ট্রায়ালে এ প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। তারা ২৬টি এলাকার ছবি তুলে তা ৩৬০-ডিগ্রি প্যানারমা করা হয়।

কাজেই প্যানারমিক ইমেজ নিয়ে অ্যাপলের গবেষণা বহু পুরনো। কিন্তু এ যুগের সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি নিয়ে তেমন কাজ করছে না প্রতিষ্ঠানটি।

আধুনিক যুগের ভিআর বলতে যা বোঝানো হয়, তার মূল প্রতিপাদ্য প্যানারমিক ইমেজ প্রযুক্তি প্রথম অ্যাপলই আনে। গুগল বা ফেসবুকের মতো বিশাল ডেটা সায়েন্স সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে পারেনি অ্যাপল। কিন্তু নতুন নতুন প্রযুক্তি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, জানান স্কালি।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা