,

চট্টগ্রামে ৭, কক্সবাজারে ৬

Capture-50ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’। চট্টগ্রামে ৭, কক্সবাজারে ৬ ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর থেকে। সতর্ক সংকেত নিয়ে বিপাকে পড়েন অনেকে। কত নম্বরে কী বুঝায় তা নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকার কারণেই এমনটি হয়। তবে এইসব সংকেতের অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা নদীপথে ভ্রমণ করেন এবং উপকূলে বসবাস করেন। তা না হলে প্রলয়ঙ্করী কোনো ঝড় আঘাত হানার আগেই যথাযথ প্রস্তুতি না নেয়ার কারণে অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। চলুন জেনে নেই কত নম্বর সতর্কতা সংকেতে কী হয়।

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত: এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোনো একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে। (একটি লাল পতাকা)
২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত: সমুদ্রে নি¤œচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে।
৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত: এর অর্থ সমুদ্র ও নদী বন্দরে দমকা হাওয়া বইবে। (দুইটি লাল পতাকা দেখানো হয়)
৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত: সমুদ্র ও নদী বন্দর এলাকায় ঝড় হবে। তবে এতোটা বিপদের আশঙ্কা নেই যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৫ নম্বর বিপদ সংকেত: অল্প বা মাঝারি ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)।
৬ নম্বর বিপদ সংকেত: অল্প বা মাঝারি ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে। ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)।
৭ নম্বর বিপদ সংকেত: অল্প অথবা মাঝারি ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। (তিনটি লাল পতাকা দেখানো হয়)
৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: প্রচ- ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে আর মংলা বন্দরের পূর্ব দিক দিয়ে যাবে।
৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: প্রচ- ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে এবং মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে যাবে।
১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: প্রচ- ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত: ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং স্থানীয় কর্মকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষ করে মে-জুন (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) মাসে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়গুলো আঘাত হানে। এই কারণেই এই মৌসুমে উপকূলের বাসিন্দাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো। আঘাত বার্তা পেতে রেডিওতে কান পেতে থাকুন। অথবা নেটওয়ার্কের ভেতরে থাকলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ভিজিট করে সর্বশেষ বুলেটিন খেয়াল করুন। http://www.bmd.gov.bd/?/home/

https://www.youtube.com/watch?v=QdHkR6UZ7kM

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে