,

সেই শিক্ষককেই বরখাস্ত করল স্কুল কর্তৃপক্ষ [ভিডিও]

shamolনিউজ ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কল্যান্দী এলাকার পিয়ার সাত্তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে এবার স্কুল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্যামল কান্তি ভক্ত মঙ্গলবার বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পাঠানো এ-সংক্রান্ত চিঠি হাতে পেয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবিতে প্রতিবাদের মধ্যে তাকে বরখাস্ত করা হল। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আনা হয়।

এগুলো হল- ছাত্রদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, বিদ্যালয়ে চাকরি দেয়ার নাম করে অর্থ সংগ্রহ, ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কটূক্তি, বিদ্যালয়ে ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত থাকা ও দেরি করে বিদ্যালয়ে আসা। চিঠিতে বলা হয়, এসব ‘অবৈধ’ কাজ তিনি আগেও করেছেন এবং বহুবার তাকে সতর্ক করা হয়েছে। ১৬ মে স্বাক্ষরিত চিঠির প্রথম অনুলিপি পাঠানো হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে। প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, ‘আমাকে লাঞ্ছিতের পর এবার চাকুরিচ্যুত করা হল। ওই দিনের ঘটনার পর থেকে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এটাকে অনুপস্থিতি দেখিয়ে আমাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।’ শ্যামল কান্তি ভক্ত দাবি করেন, পুরো ঘটনাটিই সাজানো নাটক। ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বের জের ধরে এক ছাত্রকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কথা বলা হয়েছে। এই কাজটি করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মতিউর রহমান মিজু। তিনি বলেন, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং প্রাণে নিঃশেষ করার জন্য তারা এই এই নাটক সাজিয়েছে। শ্যামল কান্তি আবারও দাবি করেন, ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোনো ধরনের কটাক্ষ তিনি করেননি। এর আগে গত শুক্রবার স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠ-বস করিয়ে সাজা দেয়ার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তাকে উত্তেজিত একদল লোক মারধরও করে। ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশ ওই শিক্ষককে নিরাপত্তা হেফাজতে নিতে বাধ্য হয় বলে জানিয়েছিলেন বন্দর থানার ওসি আবুল কালাম।

এরপর বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্যামল কান্তি অভিযোগ করেন, ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন এমন অপবাদ দিয়ে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজনকে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছিল। তিনি বলেন, তিনি স্কুলের এক ছাত্রকে সাজা দিতে গিয়ে মারধর করেছিলেন। সেই ঘটনাটিকেও তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। বলা হয়, এই ছাত্রকে মারার সময় তিনি ধর্ম সম্পর্কে কটূ কথা বলেছেন। এ রকম কোনো মন্তব্য করার কথা অস্বীকার করে শ্যামল কান্তি বলেন, স্কুলের পরিচালনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে যারা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল, তারা পুরো ঘটনার পেছনে আছে। স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমান বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, জনরোষ থেকে ওই শিক্ষককে বাঁচাতে এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।

https://youtu.be/Ko42r1X11Zw

এ জাতীয় আরও খবর

সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

আসিফের কণ্ঠে মাহবুবুল খালিদের নতুন গান ‘সখি তুই কি তেল মাখিস চুলে’

ধারাভাষ্য দল থেকে বাদ আথারটন-হুসেইন

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের এমডি-চেয়ারম্যানের ২২ বছরের কারাদণ্ড

জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি: বিএনপি নেতা খোকন তালুকদার

ভারতজুড়ে বাংলাদেশের মতো অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ শুভেন্দুর

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৫১

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল

নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা