বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আতঙ্ক সিম ক্লোনিং

Sim-Card-Registration-customerনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে অনেক কিছুই এখন সহজলভ্য। কঠিন অনেক বিষয় মানুষের হাতের নাগালে এসেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতিতে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগও সহজ হয়েছে। প্রতিনিয়ত একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগাযোগের এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে সেল ফোন বা মোবাইল ফোন।

এই মোবাইল ফোনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে সিম (সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিফিকেশন মডিউল) কার্ড। মোবাইল অপারেটরের কাছ থেকে এই সিম কার্ড বা সিম নিতে হয়। আমরা যখন যেখানেই থাকি না কেন পারস্পরিক তাৎক্ষণিক যোগাযোগের বিকল্প নেই। কিন্তু কেউ যদি এর অপব্যবহার করে তাহলে তার পরিনতি হতে পারে মারাত্মক। আবার কারও অজান্তে তার মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করে অন্য কেউ কোন অপরাধ করলে তার দায় প্রথমেই বর্তাবে সংশ্লিষ্ট নম্বর বা সিম যার নামে আছে তার ওপর।

এ ক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে অন্যের সিম ব্যবহার করে ফোনে হুমকি দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর অপরাধীরা এটি করছে অন্য কারও সিম ক্লোন করে। আগামী ৩১ মে’র পরে দেশে অবৈধ সিম-রিম যা আছে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যদি তাই হয়, তবে অপরাধী চক্র থেমে থাকবে। তারা নিবন্ধিত যেকোন সিম ক্লোনের মাধ্যমে অপরাধ কার্যক্রম চালাবে অপরাধীরা। যেকোনো সময় কারো সিম নম্বর ক্লোনিং হতে পারে। সেই সিম নম্বর দিয়ে কাউকে হত্যার হুমকি, চাঁদা চাওয়া, অশ্লীল মেসেজ পাঠানোসহ বিভিন্ন রকমের হয়রানি করতে পারে দুর্বৃত্তরা।

সিম ক্লোনিং হওয়ার বিষয়টি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এমন আশঙ্কা করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা আশঙ্কা করছেন, সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কিছুদিনের মধ্যেই অবৈধ সিম-রিম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তখন অপরাধীদের আর কোন উপায় থাকবে না। ওই সময় অপরাধীরা একমাত্র ভরসা করবে অন্যের সিম ক্লোনিংয়ের ওপর। অচিরেই সেই সিম ক্লোনিং ঠেকাতে না পারলে সমাজের মধ্যে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি ভালো মানুষগুলোও আইনী হয়রানির স্বীকার হতে পারেন। তবে এসব বন্ধে গোয়েন্দা পুলিশ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সব ধরণের কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য যাদের সহায়তায় সিম ক্লোনিং করা হয় কিংবা যাদের কাছ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা হয় তাদের খোঁজা হচ্ছে। এ চক্র বর্তমানে বাংলাদেশেই অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি সিম নম্বর ক্লোনিং করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকিসহ নানারকম অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এ ধরণের আশঙ্কার কথা জানান গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার (পশ্চিম) সাজ্জাদুর রহমান। গোয়েন্দা কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান বলেন, সিম ক্লোনিং একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে করা হয়।আইটি এক্সপার্টরাই এ কাজ করে থাকে। তবে কল করতে টাকার প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে দুটি উপায়ে টাকা কাজে লাগায় অপরাধীরা। একটি হলো-ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে। আরেকটি হলো- যাদের সিমে সবসময় অধিক টাকা থাকে।

সিম ক্লোনিং করার সময় অপারেটর কোম্পানিগুলো কোনোভাবে জানতে পারে না। তবে তাদের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগাযোগ করছেন কিভাবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে এটি রোধ করা যায়। এক্ষেত্রে সিম অপারেটর কোম্পানিগুলো সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত