,

মুস্তাফিজের পাশে হাবিবুল বাশার

Basarস্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এমন বোলিংয়ের পর মুস্তাফিজকে নিয়ে অনেক কথাই উঠেছিল। তখনই বলা হচ্ছিল, মুস্তাফিজুরের খোলস উন্মোচিত হয়ে গেছে! কিন্তু মাঠে সমালোচকদের জবাব দেন মুস্তাফিজ। টি২০ বিশ্বকাপে সেই ভারতের বিপক্ষেই স্বরূপে হাজির হন মুস্তাফিজ। চার ওভারে ৩৪ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যা করলেন, তা ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখের সামনে এখনো ভাসছে। চার ওভারে ২২ রান দিয়ে ঝুলিতে জমা করেন ৫ উইকেট!

বৃহস্পতিবার দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কাছে ৭ উইকেটে হেরে গেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওই ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৯ রান খরচ করেছেন মুস্তাফিজ, ছিলেন উইকেটবঞ্চিত। এতে ফের সমালোচকদের কাঠগড়ায় বাংলাদেশের কাটার বয়। তাদের ধারণা, মুস্তাফিজ-রহস্য উদঘাটিত হয়ে গেছে! ২০ বছর বয়সী তারকার সমালোচনা করে লাভ নেই। বরং সমালোচকদের জেনে রাখা ভালো যে মুস্তাফিজের কাছে এখানো অনেক অস্ত্র মজুত আছে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচক ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন স্মরণ করিয়ে দিলেন সে কথাই।

কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দবাজারকে বাশার বলেন ‘এর আগের ম্যাচে তো ধোনির মতো ক্রিকেটারও মুস্তাফিজুরকে খেলতে পারেনি। ভুবনেশ্বর কুমার, আন্দ্রে রাসেল, ক্রিস জর্ডান, মোহাম্মাদ সামি, জহির খানরা যেখানে ইনিংসে ৫০ রানের বেশি খরচ করে ফেলেছেন, সেখানে এক ম্যাচে মুস্তাফিজুর ৩৯ রান দেওয়া নিয়ে এত আলোচনা হওয়া উচিত নয়।’

আইপিএলে অভিষেকের পর থেকেই আলো ছড়াচ্ছেন মুস্তাফিজ। সুতরাং এক ম্যাচ দিয়ে মুস্তাফিজকে বিচার করা ঠিক হবে না। বাশারের ভাষায়, ‘টি২০তে যেখানে বোলারদের উপর চড়াও হয় ব্যাটসম্যানরা, সেখানে ওভার প্রতি ছ’য়ের ঘরে রান দিয়েছে মুস্তাফিজুর। এর চেয়ে ভালো বোলিং করা কীভাবে সম্ভব? ওকে মেরে খেলা বিপজ্জনক বলেই তো অধিকাংশ ব্যাটসম্যান মেরে খেলতে চায় না। শেন ওয়ার্ন, মুরালিধরনও তো তাদের ক্যারিয়ারে কোনো না কোনো ইনিংসে বাজে বোলিং করেছে, তার পরও তো তারা বিশ্বের সর্বকালের সেরা বোলার। এক ম্যাচে মুস্তাফিজুর ৩৯ রান দিয়েছে বলে ওর সব কৌশল ধরে ফেলেছে, এমন ধারণা মোটেও ঠিক নয়। তা ছাড়া প্রতিটি ম্যাচে এক জন বোলার উইকেট পাবে, এটা ভাবাও ঠিক নয়।’

আগের ম্যাচে হায়দরাবাদের বিপক্ষে দিল্লির হয়ে আলো ছাড়িয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারজয়ী ক্রিস মরিস বলেছিলেন, ‘প্রথমবার আইপিএলে খেলতে এসেই আলো ছড়াচ্ছে মুস্তাফিজ। প্রথমবারেই তাকে নিয়ে সবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে, তাকে আটকানোর পথ খুঁজতে হচ্ছে। এর জন্য পর্দার আড়ালে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়। সব কথা তো আর খুলে বলা যায় না!’

আইপিএলে মুস্তাফিজুরের কাটার রহস্য ধরতে প্রযুক্তির ব্যবহার করছে প্রতিপক্ষ দলগুলো! তবে প্রযুক্তির সকল সুবিধা নিয়েও মুস্তাফিজুরের সব কৌশল জানা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বাশার। বলেন, ‘মুস্তাফিজুর সিম অফ করে ভেরিয়েশনে বল করছে না। কাটার দিয়েই ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করছে। আইপিএলে এক একটি দলে প্রচুর সাপোর্টি স্টাফ। তাই ভিডিও অ্যানালিসিস অথবা অন্য কোনো প্রযুক্তির মাধ্যমে মুস্তাফিজের বল বোঝার চেষ্টা করছে সবাই। তবে ওর কিছু কিছু অস্ত্র ধরতে পারলেও সমস্যার কিছুই দেখছি না। মুস্তাফিজ যে মানের বোলার, তাতে ওর সব কাটার বুঝে ওঠা সম্ভব নয়।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা