শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬তম সংশোধনী : হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল

full_387622665_1462104645নিজস্ব প্রতিবেদক : সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ-সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত চেয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আপিল আবেদন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে এই আবেদন করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় সূত্র।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে রায় ঘোষণার পরে এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেলের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের আপিল করার কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় তিনি বলেন, ‘হাইকোর্ট ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে যে রায় দিয়েছেন তাতে আমি সংক্ষুব্ধ হয়েছি। রায়ের পরপরই আমরা আদালত থেকে আপিল করার জন্য সরাসরি রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেয়েছি। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।’ একইসঙ্গে রোববার এই রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন নিয়ে যাওয়া হবে বলেন তিনি।

রায়ের বিরোধিতা করার কারণ জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, ১৯৭২ সালে সংবিধান যখন প্রণয়ন করা হয়েছিল তখন বিচারপতিদের অপসারণের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ ছিল। কিন্তু পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সামরিক সরকার এটি সংশোধন করে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাত থেকে নিয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে দেয়।

তিনি বলেন, যেহেতু এর আগে সামরিক শাসনামলকে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন সেহেতু তাদের কার্যক্রমও অবৈধ। তাই বিচারপতিদের অপসারণে সামরিক সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেটিও অবৈধ।

সংবিধান প্রণয়নের সময় যেহেতু সংসদ সদস্যদের হাতেই বিচারপতিদের অভিসংশন বা অপসারণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল, এখন সেটি ফিরে পেতে চান এই কারণেই আজ হাইকোর্টের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানায় তিনি।

গত ৫ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্থাৎ দুই বিচারপতি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। তবে বেঞ্চের অপর এক বিচারপতি তাদের সঙ্গে দ্বিমত করে দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন।

অপর এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রায়ে এ সংক্রান্ত আদেশ দেয়া হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে এই সংশোধনী বাতিল করা হয়। এর ফলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আর জাতীয় সংসদের সদস্যদের হাতে থাকলো না।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে সংশোধন করে সরকার, যা ষোড়শ সংশোধনী নামে পরিচিত। সংশোধনীতে বলা হয়, ‘প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।’

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা