,

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য আদালতের বিবেচনায় আনতে বললো বিএনপি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের বিষয়ে হাইকোর্টের রায় সংবিধানপরিপন্থী’ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের এমন বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয় কী না-সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।আজ বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। ২০ দলীয় জোট শরিক বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মরহুম চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুল মোবিনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব, ইসলামী মূল্যবোধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অবদান, জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে দলটি।

 

nazrul_islam

তিনি বলেন, ‘‘আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বললেন, ‘হাইকোর্টের রায় সংবিধান পরিপন্থী’। এতে আদালত অবমাননা হচ্ছে না? আমি তো মনে করি, আদালতের এটি বিবেচনা করা দরকার। আদালতের রায়কে যখন বলা হয়, সংবিধান পরিপন্থী, এর চেয়ে বড় আর কি বলা যাবে। এটি বিবেচনায় নেওয়া উচিত।”সংসদে পাস করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী হাইকোর্ট বাতিল করে দেওয়ার পর এখন সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বলেও মনে করেন নজরুল ইসলাম খান।

 

 

তিনি বলেন, ‘এরশাদের সময়ে আদালত সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন। তখন এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে থাকা বিরোধী রাজনৈতিক জোট (আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দল) দাবি করেছিল, সংসদে পাস করা সরকারের কোনো আইন আদালত যখন বাতিল করে দেয়, তখন ওই সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার থাকে না। আওয়ামী লীগও এতে একমত ছিল।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সেই সময়ে বক্তব্য যদি সঠিক হয়, তাহলে এখন ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে দেওয়ার পর এই সরকারের কী হবে? পার্লামেন্টের রায় আদালত বাতিল করে দেওয়ায় তাদেরও তো আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার থাকে না।’

 

 

‘বর্তমান সরকারের শাসনামলে যেভাবে খুন, গুম, হত্যা এবং নেতাকর্মীদের কারাগারে নেওয়া হচ্ছে, তা স্বৈরাচার এরশাদ সরকারকেও হার মানিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সরকারের অত্যাচার চরম আকার ধারণ করেছে। অত্যাচার যত বেশি হয়, অত্যাচারীর পতন তত করুণ হয়। তবে দেশের স্বার্থে এই নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধ হোক। কারণ সবশেষে দেশেরই ক্ষতি হয়। সেজন্য আমরা পরিবর্তন চাই। আর সেটি যেন হয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে।’

 

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে, গণতন্ত্র মানবাধিকার ও বৈষম্যমূলক সমাজ বিনির্মাণের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন―জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, পিপলস লীগের মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইসলামিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগর সাধু সঙ্গের উদ্যোগে লঞ্চযোগে আনন্দ ভ্রমণ: নদীর বুকে ফিরে দেখা স্মৃতি, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির অনন্য আয়োজন

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা